জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫০ পরিবার
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার ২৮ জুন ২০২০ । আপডেট ১৯:৩০
যমুনা নদীর পানি বাড়তে থাকায় জামালপুর জেলায় বন্যা পরিস্থিরি আরও অবনতি হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত দেড়শটি পরিবারের সদস্যরা জেলার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। করোনা মহামারির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদেরকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২১ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানিস্তর বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। অন্যদিকে বাহাদুরাবাদ ঘাট এলাকায় বিপদসীমার ৫২ সেন্টিমিটার উপরে উঠেছে পানির প্রবাহ। তিস্তা ব্যারেজের সবগুলো কপাট ইন্ডিয়া খুলে দেয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জামালপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্র জানায়, ইসলামপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ২টি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি বিভাগের সম্প্রসারণ সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর সদর, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ী ও মাদারগঞ্জ উপজেলায় বিপুল সংখ্যক স্থায়ী ফসল বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। এতে ১৩০ হেক্টর আউশ ধান, টি-আমান বীজতলা ১১৭ হেক্টর, ১৫৭৫ হেক্টর পাট, ১৭৮ হেক্টর উপর শাকসবজি, ৬ হেক্টরের বেশি তিল এবং ২ হেক্টর উপর চিনাবাদাম ডুবে গেছে।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা রাজিয়া জানান, করোনার ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশনা বজায় রেখে তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যাকবলিত ১৫০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্র জানায়, বন্যার সময় ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য সরকার থেকে জেলার ৭টি উপজেলায় ৩৪৭ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বাসস।

