জামিন আবেদন নাকোচ, ডা. সাবরিনা কারাগারে
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০ । আপডেট: ১৬:২৫
জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে দুই দফা রিমান্ডে প্রতারণার অভিযোগের পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ মেলায় শিগগিরই চার্জশিট দেয়া যাবে বলে জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এদিকে ২ দফায় ৫দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে ডা. সাবরিনার জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
গোয়েন্দা পুলিশের কাছে দুই দফায় ৫দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে আদালতে আনা হয় করোনা টেস্টের নামে জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে।
মহানগর হাকিম আদালতে তোলার পর আর রিমান্ড আবেদন না করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। বিপরীতে, ডা. সাবরিনার পক্ষে তার আইনজীবীদের জামিন আবেদন করেন।
পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, এই সাবরিনা একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে তিনি অন্যায় ও অবৈধভাবে জেকেজি নামের প্রতিষ্ঠান চালু করেছে; এবং সেই প্রতিষ্ঠানের তিনি চেয়ারম্যান হয়েছেন। তিনি একাধিকবার রিমান্ডে গেছেন; সেখানে অনেক তথ্য দিয়েছেন। সে জন্য আদালতকে বলেছি, তার রিমান্ড শেষে যাতে জামিন নামঞ্জুর করেন। আদালত আমাদের আবেদন শুনে তাকে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে সোমবার বেলা ১১টার দিকে ডা. সাবরিনাকে আদালতে পাঠানোর পর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ওয়ালিদ হোসেন। এসময় তিনি বলেন, রিমান্ডে থাকা ডা. সাবরিনার কাছ থেকে করোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণার পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ পেয়েছেন তারা।
ডিএমপি মিডিয়া উইংয়ের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ওয়ালিদ হোসেন বলেন, আমরা তার (সাবরিনা) কাছ থেকে যথেষ্ট প্রমাণ পেয়েছি। তার স্বামীর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে মুখোমুখি করা হয়েছে। উভয়ের যথেষ্ট সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। এতে দু’জনেই অভিযুক্ত হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ১৫ হাজার ৪৬০টি ভুয়া কোভিড রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গত ২৩ জুন জেকেজির প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর একই অভিযোগে ১২ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও আরিফের স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফাইল ছবি।

