জাপানের সহায়তায় পশ্চিমাঞ্চলে আরও ‘২১ সেতু নির্মাণ’

জাপানের সহায়তায় পশ্চিমাঞ্চলে আরও ‘২১ সেতু নির্মাণ’

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০ । আপডেট ১৭:৫০

জাপান সরকারের সহায়তায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলে ছোট-বড় ২১টি সেতু নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ করা হবে। প্রায় সাড়ে ৬শ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুগুলো নির্মাণের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নির্মাতা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।রাজধানীর বনানীস্থ প্রকল্প অফিসে সকালে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

চুক্তিপত্রে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর এবং নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মৃত্যুঞ্জয় ঘোষাল স্বাক্ষর করেন। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এবং জাইকার বাংলাদেশ অফিস প্রধান ইউহো হায়াকাওয়া ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন অনুষ্ঠানে।

পরে সেতুমন্ত্রী দেশের সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহায়তা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু। দু’দেশের সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনে মেট্রোরেল রুট-৬ জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া জাপানের আর্থিক সহায়তায় নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ২য় কাঁচপুর, ২য় মেঘনা ও ২য় গোমতী সেতুর। চট্টগ্রাম থেকে দেশের পর্যটন তীর্থ কক্সবাজার পর্যন্ত মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করণে জাপানের অর্থায়ন ইতোমধ্যে নীতিগত অনুমোদন হয়েছে বলেও মন্ত্রী এসময় জানান।

সেতু বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জাপানের অর্থায়নে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের ২৩টি জেলায় ছোট ও মাঝারি ৬১টি সেতু নির্মাণে ইতোপূর্বে গ্রহণ করা হয় ওয়েস্টার্ণ বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্ট। ইতোমধ্যে ওই প্রকল্পের ২৫টি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এবং ৩৫টি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হতে চলেছে। নতুন করে ২১টি সেতু নির্মাণের উদ্যোগের ফলে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি যাত্রী ও পণ্য পরিবহণে অর্থ সাশ্রয় হবে এবং ভ্রমণ সময় কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তিসাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্য মাঝে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চন্দন কুমার দে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহরিয়ার হোসেনসহ প্রকল্প কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল বলেন, বিএনপি মানুষের দুর্যোগ এবং কষ্টের সময় পাশে না দাঁড়িয়ে কথামালার ধারা বর্ষণ করে যাচ্ছে। বন্যা দুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টা তুলে ধরে তিনি বলেন, পানিবন্দী মানুষের মানবিক সহায়তার পাশাপাশি বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন ও কৃষিখাতসহ বিভিন্ন খাতে ক্ষতি পুষিয়ে দিতে নেয়া হচ্ছে গুচ্ছ পরিকল্পনা।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading