বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদের আশ্রয় পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদের আশ্রয় পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০ । আপডেট ০৮:‌৪৫

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরী। প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত রাশেদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে নতুন করে বঙ্গবন্ধু খুনের অন্যতম এ আসামির আশ্রয়ের বিষয়ে নড়েচড়ে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি খুনি রাশেদের আশ্রয়ের মামলাটি নতুন করে পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে।

খুনি রাশেদের আশ্রয় মঞ্জুরের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মার্কিন সাময়িকী পলিটিকো জানিয়েছে, ওই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য নিজের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বার। এই প্রক্রিয়ার শুরুর মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের সুযোগ হারাতে পারে বঙ্গবন্ধুর এই খুনি। আর তা হলে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা রাশেদের আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর করে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ সরকার অনেক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত এপ্রিলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারের কাছে এই অনুরোধ জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

রাশেদ চৌধুরীর আশ্রয় পর্যালোচনার জন্য পাঠাতে গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলস (বিআইএ)-কে চিঠি দেন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বার।

ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আবেদনকারী যে একটি মারাত্মক অরাজনৈতিক অপরাধে জড়িত ছিল তা বিবেচনার সম্ভাব্য কোনও কারণ নেই এমনটা নির্ধারণে বোর্ড কি ভুল করেছিল?’

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল লিখেছেন, “এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বোর্ড কি যথাযথভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল, যে অপরাধের জন্য তার অনুপস্থিতিতে আবেদনকারী দণ্ডিত হয়েছে সেই ‘অপরাধ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না’ কিংবা ‘চরিত্রগতভাবে নৃশংস বা বর্বর ছিল না’?” তথ্য সহায়তায় – বাংলা ট্রিবিউন।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading