নৌকায় চলাচল করছেন কুমুদিনী হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০ । আপডেট: ১৩:২৮
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতালের সামনের সড়কে প্রায় ৩ ফুট উচ্চতায় পানি উঠে পুরাতন বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। হাসপাতাল ভবনের চারপাশ, ভারতেশ্বরী হোমসের সামনে ও ভেতরে পানি প্রবেশ করেছে। কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, ছাত্রী হোস্টেল মাঠ ও নার্সিং হোস্টেল ভবনের সামনেও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। ফলে হাসপাতালের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে রিকশার পাশাপাশি নৌকাও ব্যবহার করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের নৌকায় চলাচল করতে হচ্ছে।
তবে হাসপাতাল রোডে একাধিক স্পিড ব্রেকার (গতিরোধক) থাকায় ঠিকমতো নৌকাও চালানো যাচ্ছে না বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
এদিকে হাসপাতাল রোডে পানির মধ্যে সীমিত আকারে রিকশা চলাচল করলেও ১০ টাকার ভাড়া ৩০-৪০ টাকায় যেতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র রোগীদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ নিয়ে হাসপাতাল রোডে চলাচলকারী রিকশাচালকরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যাত্রী নিয়ে পানির ভেতর হেঁটে রিকশা টেনে নিতে হয়। প্রায় কোয়াটার মাইল রাস্তা যেতে ১২-১৫ মিনিট সময় লাগে। ৪-৫ বার যাতায়াত করলে পা ব্যথা হয়ে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এজন্য বেশি সময় রিকশা টানতে পারেন না। তাই একটু বেশি টাকা নিচ্ছেন।
ভারতেশ্বরী হোমসের এক শিক্ষিকা বলেন, কুমুদিনী হাসপাতালের ক্যাম্পাস জুড়ে পানি। তবু কাজ তো থেমে থাকে না। বাসা থেকে বের হলেই পানি। চলাচলের জন্য রিকশার পাশাপাশি আমরা নৌকাও ব্যবহার করছি।

