‘ভালো কাজের জন্য ব্রোকারদের পুরস্কার দেওয়া হবে’
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ । আপডেট: ১০:৪০
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ব্রোকাররা অনেক সময় সঠিক দায়িত্ব পালন করেন না। ফলে অনেক সময় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বিনিয়োগকারীদের সেবা দিতে উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কার দিবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি)।
বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট ব্যবহার করা নিয়ে আয়োজিত এক ট্রেনিং প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। প্রোগ্রামটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ একাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেট (বিএএসএম), বিএসইসি ও ডিএসইর ট্রেনিং একাডেমি।
ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের উপর বিনিয়োগকারীদের অনেক কিছু নির্ভর করে। ফলে তাদের উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কৃত নিয়ে কমিশনে আলোচনা হয়েছে। যারা ভালো সেবা দিবে তাদের পুরস্কার দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ডিএসই যথাসময়ে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) প্রকাশ করে না বলে অভিযোগ করেন। আগামিতে এ সমস্যাটি কাটিয়ে উঠার দাবি করেছেন। এছাড়া প্রবাসিদের জন্য ওয়েবসাইটে তথ্য সংযোজন, শিক্ষার্থীদের শেখার জন্য ম্যাটেরিয়াল তথ্য রাখা, তথ্য আপডেট করা, লেনদেনের তথ্য রিয়েল টাইম দেখানো না গেলেও ৩ মিনিটের ব্যবধান কমিয়ে ৩০ সেকেন্ডে আনা, ওয়েবসাইট আরও বেশি ব্যবহারবান্ধব করাসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন।
শেখ শামসুদ্দিন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএসইসি, ডিএসই ও সিএসইর নাম লোগো ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। অনেকেই শেয়ার দর বাড়বে বলে নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগকারীদেরকে প্রভাবিত করছে। এ জাতীয় গুজব বা শেয়ারবাজারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এমন কোন কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হলে, তা আমরা গ্রহণ করব না। তাই সবাইকে এ বিষয়ে সাবধান হতে বলব। অন্যথায় কমিশন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
বিএসইসির এই কমিশনার বলেন, সফটওয়্যার উন্নত করার জন্য ডিএসই ওপেন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পারে। একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিযোগিতায় কেউ যদি ডিএসইর কার্যক্রম উন্নয়নে সফটওয়্যার তৈরী করে দিতে পারে, তাকে পুরুস্কৃত করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে নতুন সফটওয়্যার উন্নয়নে যারা কাজ করছে বা শেয়ারবাজার নিয়ে যারা ভাবে, তারা এগিয়ে আসতে পারে। তাদেরকে আমরা উৎসাহিত করতে পারি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের একটি শুদ্ধাচার নিয়মাবলি আছে। সেই নিয়মাবলির মাধ্যমে আমরা শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে উৎসাহিত করতে পারি। যাতে তারা যেনো দেশের জন্য, শেয়ারবাজারের জন্য ও বিনিয়োগকারীদের উন্নয়নে কাজ করে। তারা যেনো সঠিকভাবে কাজ করে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষনের জন্য কাজ করে। এদিকে নজর রাখার জন্য ডিএসইকে অনুরোধ করব।

