দেশ এগিয়ে নিতে তরুণদের সুযোগ করে দিন: সায়মা ওয়াজেদ

দেশ এগিয়ে নিতে তরুণদের সুযোগ করে দিন: সায়মা ওয়াজেদ

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। আপডেট: ১০:১০

সিআরআইয়ের ভাইস চেয়ারপার্সন ও অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ হোসেন দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য তরুণদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা হোসেন ওয়াজেদ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইনফরমেশনের যুব শাখা ইয়ং বাংলার উদ্যোগে আয়োজিত ‘লেট’স টক অব সেভেন-চ্যাপ্টার’ শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপনী অধিবেশনে এ আহ্বান জানান।
তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনদিনব্যাপী কর্মসূচির ৭টি এপিসোডের সমাপ্তি ঘটে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিভাবে তার সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষায় রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রচন্ডভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং চুড়ান্তভাবে একটি দেশ প্রতিষ্ঠা করেন তা উল্লেখ করে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন যে বয়সটায় এককভাবে কারো গভীর জ্ঞানের ইঙ্গিত করে সে বয়সেই গতানুগতিকতা ভেঙ্গে ফেলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বয়সে তরুণ হলেই তার জ্ঞান কম হবে, এ ধরনের কথার কোন ভিত্তি নেই। উপরন্তু আমাদের দেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, তরুণদের পর্যাপ্ত মেধা রয়েছে এবং অন্যদের জন্য তারা আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখাতে পারে।’

সায়মা বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের দিকে তাকাই, আমরা যদি বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা চিন্তা করি, তাহলে আমরা দেখতে পাই যে, তিনি তার সম্প্রদায়ের প্রয়োজনে একজন তরুন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।’

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ)’র থিমেটেক অ্যাম্বাসেডর সায়মা বলেন, বঙ্গবন্ধু রাজনীতি দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন নি। তিনি বড় কোন সংগঠন দিয়ে শুরু করেন নি। এই অংশ পরে শুরু হয়। তিনি তাঁর সম্প্রদায়ের ভেদাভেদের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে তাঁর জীবন শুরু করেছিলেন। তিনি তাঁর সমর্থকদের পর্যবেক্ষণ করেন এবং কিভাবে তাদের তাদের সহায়তা করতে পারেন তা নির্ধারণ করেন। তিনি বলেন, তিনি তাঁর অভিযাত্রা শুরু করেন। তার নেতৃত্বদানের ক্ষমতার মাধ্যমে তার নিজের উন্নতি করেছিলেন, তার তরুণ জীবনের উন্নয়ন করেছিলেন এবং তার সম্প্রদায়ের কাজের উন্নয়ন করেছিলেন। তার কিছু নৈতিক মূল্যবোধ ছিল। তিনি এই মূল্যবোধগুলো অনুসরণ করেছেন। তার জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জ এসেছে। তিনি সকল বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করেছেন। তিনি নিজে তার সুযোগ তৈরি করেছেন এবং তার নেতৃত্বদানের গুণাবলী উন্নয়ন করেছেন। সেজন্যই আমরা নিজেদের একটি জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হয়েছি। তিনি আমাদের শিখিয়ে গেছেন।
সায়মা বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমাদের এই বিষয়গুলো শেখা উচিত এবং আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের পুরোপুরি প্রত্যাশা থাকে, তাহলে আমাদের তরুণদের জন্য এই সুযোগগুলো তৈরি করে দেয়া আমাদের অবশ্যই দায়িত্ব।

সায়মা গত কয়েক দিন ধরে লেটস টক এর আলোচনায় যে সুপারিশগুলো উত্থাপিত হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করেন। নবনীতা চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাপনী অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, ইয়ং বাংলার আহ্বায়ক নাহিম রাজ্জাক, এমপি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক আহমেদ কায়কাউস। ইয়ং বাংলা ২০১৪ সাল থেকে দেশে নীতি-নির্ধারণী ব্যক্তিদের নিয়ে ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছে। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় লেটস টকস এপিসোডের মাধ্যমে তরুণদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে আসছেন। সূত্র: বাসস।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading