‘পেঁয়াজ আসছে’ শুনেই দাম কমলো কেজিতে ১০-২০ টাকা!
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। আপডেট ১৫:১৫
আগের এলসির বিপরীতে গত রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিতে পারে ইন্ডিয়া। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইন্ডিয়া থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হতে পারে বলে বাংলাদেশি আমদানিকারকদের জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান ব্যবসায়ীরা। এদিকে পেঁয়াজ আসার এই খবরে একদিনের ব্যবধানে হিলির পাইকারি বাজারে দাম কমেছে কেজিতে ১০-২০ টাকা। অপরদিকে পেঁয়াজের মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
গত সোমবার অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে হঠাৎ করেই ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ওইদিন বন্দর দিয়ে কোনও পেঁয়াজ আমদানি হয়নি।
হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে পেঁয়াজ কিনতে আসা খালেক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, “সোমবার ভারত যেই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিলো, তখন দাম লাফিয়ে বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়াতে থাকে, আগের দিন যে পেঁয়াজ আমরা ৩৫ টাকা কেজি দরে কিনে নিয়ে গেছি, পরদিন তা বেড়ে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা হয়ে যায়। এমনকি পেঁয়াজ বিক্রির কোনও রিসিটও দিচ্ছিলো না। প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় যেন পেঁয়াজের দাম বাড়ছিলো। পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়ি। আজ আবার পেঁয়াজ কিনতে এসে দেখি দাম কিছুটা কমেছে। শুনলাম পেঁয়াজ নাকি আজকে বন্দর দিয়ে ঢুকবে এই খবরেই দাম কমে গেছে।”
তিনি আরও জানান, বর্তমানে আড়তগুলোতে ভালোমানের প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫২ থেকে ৬০ টাকা, একটু খারাপ মানেরটা ৪০ টাকা দরে ও খুচরাতে ৫৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন বলেন, “সোমবার ভারত সরকার হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। তবে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন রবিবারে যেসব পেঁয়াজ রফতানির জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে শুধুমাত্র ওইগুলোর বিপরীতে পেঁয়াজ রফতানি করার অনুমতি দিতে পরে। একইসঙ্গে যে আড়াইশ’ ট্রাক আটকা রয়েছে ও ১০ হাজার এলসি দেওয়া রয়েছে তার বিপরীতেও পেঁয়াজগুলো দেওয়ার জন্য আমরা তাদের অনুরোধ জানিয়েছি। এ বিষয়ে তারা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।” সূত্র – বাংলা ট্রিবিউন

