নীলা হত্যা : প্রধান আসামি মিজান ৭ দিনের রিমান্ডে

নীলা হত্যা : প্রধান আসামি মিজান ৭ দিনের রিমান্ডে

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ । আপডেট: ১৯:০৮

‘প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়’ গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাভার পৌরসভার পালপাড়া এলাকায় নীলাকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মিজান ও তার বাবা-মাকে আসামি করে সাভার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নীলার বাবা। স্কুলছাত্রী নীলা রায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমান চৌধুরীকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। ঢাকার বিচারিক হাকিম রাজীব হাসান আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মামলার শুনানি নিয়ে তার রিমান্ড বাতিলের আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ এ তথ্য জানান।

শুনানির বিবরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মিজান বিচারকের প্রশ্নের জবাবে বলেছে, আমি নিজে একাই নীলাকে কুপিয়ে মেরেছি। আমার সঙ্গে যারা ছিল তারা হত্যায় অংশ নেয়নি। “আমার বন্ধু সেলিম পালোয়ান এবং রাকিব ঘটনার সময় দূরে দাঁড়িয়ে ছিল।”

মানিকগঞ্জ জেলার বালিরটেক এলাকার নারায়ণ রায়ের মেয়ে নীলা সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনির অ্যাসেড স্কুলের দশম শ্রেণিতে পড়ত। পৌর এলাকার কাজী মোকমা পাড়ার এক বাড়িতে তার পরিবার ভাড়া থাকে।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার একটি ইটভাটার পাশ থেকে মিজান ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই নির্মল কুমার দাস শনিবার বিকালে মিজানকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

এদিকে মিজানের পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী আনোয়ারুল ইসলাম শুভ। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, “অজ্ঞাতনামা আরও আসামি এবং ব্যবহৃত আরও একটি অস্ত্র উদ্ধারের জন্য মিজানুরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি।” শুনানি শেষে মিজানের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

মিজানের বন্ধু সেলিম পালোয়ানকে গত মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে আরিচা ঘাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আরেক বিচারক।

মিজানকে গ্রেপ্তারের আগে বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ জেলার চারীগ্রাম এলাকা থেকে তার বাবা আব্দুর রহমান (৬০) এবং মা নাজমুন্নাহার সিদ্দিকাকে (৫০) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শুক্রবার তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় আদালত। সাভার থানা পুলিশের হেফাজতে তাদের এখন জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading