প্রখ্যাত লেখক রশীদ হায়দার আর নেই
উত্তরদক্ষিণ | মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ১৩:০০
একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত লেখক, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও বাংলা একাডেমির সাবেক পরিচালক রশীদ হায়দার আর নেই (ইন্নালিল্লাহে … রাজিউন)।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের বাসভবনে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি বেশ কিছুদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, রশীদ হায়দারের মেয়ে শায়ন্তী হায়দার।
রশীদ হায়দার দুই মেয়ে হেমা (হেমন্তী হায়দার) ও ক্ষমাসহ (শায়ন্তি হায়দার অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী আনিসা আখতার (ঝরা) ২০১৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে মঙ্গলবার বাদ জোহর আজিমপুর কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হবে বলে শায়ন্তি হায়দার জানান।
রশীদ হায়দার গল্প-উপন্যাস-নাটক-অনুবাদ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা ও সম্পাদনা সব মিলিয়ে ৭০ এর অধিক বই রচনা করেছেন। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৪), একুশে পদক (২০১৪), হুমায়ুন কাদির পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংকসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
১৯৪১ সালের ১৫ জুলাই পাবনার দোহাপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন রশীদ হায়দার। পরিচিতি রশীদ হায়দার নামে হলেও তার পুরো নাম শেখ ফয়সাল আবদুর রশীদ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন হায়দার। ডাক নাম দুলাল।
১৯৫৯ সালে গোপালগঞ্জ ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬১ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি।
বড় ভাই জিয়া হায়দারের উৎসাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় তিনি কাজ শুরু করেন চিত্রালী পত্রিকাতে। ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ডের মুখপাত্র পরিক্রম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৭২ সালে তিনি বাংলা একাডেমিতে চাকরি শুরু করেন এবং ১৯৯৯ সালে বাংলা একাডেমির পরিচালকের পদ থেকে অবসর নেন। পরে নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। -বাসস

