অর্থ আত্মসাৎ: প্রাইম ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজারসহ ৪ জনের সাজা
উত্তরদক্ষিণ | মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ১৯:২৫
অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রাইম ব্যাংকের আদাবর রিং রোড শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক (অপারেশনস) গোলাম মোস্তফা মিঠুসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
গোলাম মোস্তফা ওরফে মিঠুকে এক ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আর এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরেক ধারায় তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবিএছাড়া মেসার্স আরাফাত ট্রেডার্সের মালিক আরাফাত আলী খান, হাবিবুর রহমান ওরফে জুয়েল এবং শহিদুল ইসলাম ওরফে শিপলুকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ আদালতের পেশকার ফোরকান মিয়া জানান, আসামিদের আত্মসাৎ করা ১ কোটি ৮৬ লাখ ৯ হাজার ৪৪৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
আসামিদের মধ্যে আদাবর রিং রোডে প্রাইম ব্যাংক শাখার প্রধান ও ব্যবস্থাপক জাহান আরা বেগম, একই শাখার সাবেক এক্সিকিউটিভ এবং ক্রেডিট অফিসার জাহিদুল ইসলাম খান, প্রধান মেসার্স তামান্না ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর প্রোপ্রাইটর আব্দুল হাই, তার স্ত্রী রওশন আরা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেন বিচারক।
রায়ের বিবরণে বলা হয়, গোলাম মোস্তফা ২০০৮ সালের ১১ মার্চ থেকে ২০১০ সালের ১১ আগস্ট পর্যন্ত প্রাইম ব্যাংকের আদাবর রিং রোড শাখায় অপারেশন ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন। সে সময় অন্য আসামিদের সঙ্গে ‘যোগসাজশে’ তিনি ১ কোটি ৮৬ লাখ ৯ হাজার ৪৪৫ টাকা আত্মসাৎ করেন।
এ ঘটনায় ওই শাখার ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন ২০১১ সালের ১২ নভেম্বর আদাবর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ১৯ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এ মামলার রায় দেন বিচারক।

