এসএমই শিল্পের বিকাশ জাতীয় আয়ে বড় অবদান রাখবে: অধ্যাপক বজলুর রশিদ
উত্তরদক্ষিণ | মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১৪:১৩
গবেষক অধ্যাপক বজলুর রশিদ খন্দকার বলেছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ যতো তরান্বিত হবে জাতীয় আয়ে ততো দ্রুত তা ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৪ থেকে ৫ কোটি এসএমই প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করেছে। শিল্পের বিকাশে এসএমই খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক বজলুর রশিদ খন্দকার বলেন, এমএমই প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে কর্ম সংস্থানের প্রবৃদ্ধি বছরে ৮ শতাংশ। এসএমই ঋণ নিয়ে নারীরা বেশি ভালো করছে।
তিনি বলেন, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত যারা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়েছে তাদের টার্ন ওভার বেশ ভালো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা দ্বিগুন। ফলে এই খাতকে সহায়তা দেয়া গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেশ বড় ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আরিফ খান।
আরও ছিলেন, ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।
সেমিনারে আইডিএলসি ও পিআরআই পরিচালিত একটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
গবেষণাটি পরিচালনা করেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ও অধ্যাপক বজলুর রশিদ খন্দকার।
গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক বজলুর রশিদ খন্দকার।
এতে দেখানো হয়, ২০১৯ সালে আইডিএলসি থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। এরমধ্যে ৩০ শতাংশ মাইক্রো ও ৭০ শতাংশ স্মল। এখান থেকে ঋণ নিয়ে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান অন্তত ১৬ জনের কর্ম সংস্থান করেছে বলেও গবেষণায় উঠে আসে।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সায়েমা হক বিদিশা।

