কৃষকের ‘দিল্লি চলো’ আন্দোলনে পুলিশের বাধা
উত্তরদক্ষিণ| শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১৪:০৭
ইন্ডিয়ায় কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে পাঞ্জাব থেকে মিছিল করে ‘দিল্লি চলো’র ডাক দিয়েছেন কৃষকের।
শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) সকাল থেকে দিল্লির সীমান্তবর্তী এলাকায় কৃষকদের উপর জলকামান চালায় পুলিশ। কৃষকরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের আটকাতে নিজেদের শক্তি প্রয়োগ করছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সারা দিন ধরেই হরিয়ানার পুলিশ বিভিন্ন ভাবে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেছে বিক্ষোভরত কৃষকদের। কৃষকদের দিল্লিতে ঢুকতে বাধা দেওয়ার জন্য ঠান্ডার মধ্যেই হরিয়ানার সোনপতে রাত ১১টার দিকে কৃষকদের উপর জলকামান চালায় পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই সোনপতে পৌঁছে গিয়েছিল ২০০-র বেশি কৃষকের একটি দল। রাস্তার মধ্যে দাঁড়িয়েই তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন। পুলিশও ব্যারিকেড বানিয়ে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস নিয়ে তৈরি ছিল। রাত ৯টার দিকে সেখানে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়। কৃষকরা পুলিশকে ব্যারিকেড সরিয়ে নিতে অনুরোধ করে। রাতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে কনকনানি ঠান্ডা। তার মধ্যেই প্রতিবাদরত কৃষকদের উপর জলকামান ছোড়ে হরিয়ানা পুলিশ।
যদিও বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সারা দিন সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করেও কৃষকদের আটকাতে পুরোপুরি সফল হয়নি হরিয়ানার বিজেপি সরকার।
সংযুক্ত কিসান মোর্চা এবং অল ইন্ডিয়া কিসান সংঘর্ষ কোঅর্ডিনেশন কমিটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, দিল্লি ঢোকার জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার কৃষক পৌঁছে গিয়েছে দিল্লি-হরিয়ানা সীমানার বিভিন্ন এলাকায়। শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) দিল্লি ঢোকার জন্য পুরোমাত্রায় তৈরি তাঁরাও।
পাশাপাশি বিক্ষোভরত কৃষকদের দিল্লিতে ঢোকা আটকাতে তৈরি রয়েছে প্রশাসনও। বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের দিল্লি ঢোকার আর্জি করোনা মহামারির দোহাই দিয়ে ইতিমধ্যেই খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
দিল্লির পুলিশ কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তব বলেছেন, “কোভিড-১৯ নির্দেশিকার জন্য রাজনৈতিক সমাবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব হয়। আমরা অনুরোধ খারিজ করেছি। দিল্লি সীমান্তে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জোর করে ঢোকার চেষ্টা বাধা দেওয়া হবে।’’

