ফাইজার টিকার গুরুত্বপূর্ণ নথি হ্যাক

ফাইজার টিকার গুরুত্বপূর্ণ নথি হ্যাক

উত্তরদক্ষিণ | বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১২:২৫

ইউরোপিয়ান মেডিসিনস এজেন্সি (ইএমএ)এর সার্ভারে সাইবার হামলা চালিয়ে ফাইজার/বায়োএনটেক-এর টিকার গুরুত্বপূর্ণ নথি হ্যাক হয়েছে। ইএমএ-এর পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে মেডিসিন ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ইএমএ। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছে এবং হ্যাকাররা তাদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংক্রান্ত নথিগুলোতে অ্যাক্সেস পেয়েছে।

বায়োএনটেক জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে তারা যে নথি জমা দিয়েছিল সেটিতেও প্রবেশ করতে সমর্থ হয়েছে হ্যাকাররা।

কোভিড-১৯ এর দুই টিকার অনুমোদন নিয়ে কাজ করছে ইউরোপিয়ান মেডিসিনস এজেন্সি। প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা শেষে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ অনুমোদন দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যেই এ হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটলো। তবে বায়োএনটেক-এর দাবি, এই সাইবার হামলার ফলে তাদের টিকার অনুমোদনের সম্ভাব্য সময়সীমা পিছিয়ে যাবে না।

ইএমএ-এর ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতিতে হামলার ধরন বা এ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে এরইমধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরুর কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। তদন্তকাজ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটির একজন মুখপাত্র।

বায়োএনটেক অবশ্য তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা বিবৃতিতে স্বীকার করেছে, আজই আমাদের জানানো হয়েছে যে, ইউরোপিয়ান মেডিসিনস এজেন্সি সাইবার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এজেন্সির সার্ভারে যেখানে ফাইজার ও বায়োএনটেক-এর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে সেখানে প্রবেশে সমর্থ হয়েছে হ্যাকাররা।

বায়োএনটেক-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‌ইএমএ কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বাস দিয়েছে যে, এই সাইবার হামলা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটটির পর্যালোচনায় কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।

জনস্বাস্থ্য ও স্বচ্ছতার গুরুত্ব বিবেচনায় হ্যাকের বিষয়টি জনসম্মুখে তুলে ধরেছে কর্তৃপক্ষ।

ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত শুধু ব্রিটেনেই ফাইজার ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ইএমএ-এর সার্ভারে এমন সময়ে এই হ্যাকের ঘটনা ঘটলো যখন ফাইজার/বায়োএনটেক এবং মডার্নার ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। তবে হ্যাকাররা মডার্নার নথিতে অ্যাক্সেস পেয়েছে কিনা সেটি নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading