৩ দেশের সমন্বিত আন্তর্জাতিক সড়কে যোগ দিতে চায় বাংলাদেশ

৩ দেশের সমন্বিত আন্তর্জাতিক সড়কে যোগ দিতে চায় বাংলাদেশ

উত্তরদক্ষিণ | শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১০:৪২

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং কার্যকর উপায়ে আঞ্চলিক সংযোগ ‍বৃদ্ধি করতে ভার্চ্যুয়াল শীর্ষ সম্মেলনের সময় ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ পরস্পরের প্রতি ‘অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব’ প্রকাশ করেছে। তাই কৌশলগত স্বার্থ বিবেচনায় ইন্ডিয়া, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সাথে সমন্বিত আন্তর্জাতিক সড়কে যোগ দেয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা।

এছাড়া, বাংলাদেশি পণ্য বোঝাই ট্রাক ইন্ডিয়া হয়ে ভুটান এবং নেপালে প্রবেশ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে এ বিষয়ে দিল্লির পক্ষ থেকে সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ভার্চ্যুয়াল শীর্ষ সম্মেলনের সময় এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ভার্চ্যুয়াল শীর্ষ সম্মেলনের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারত, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সমন্বিত একটি আন্তর্জাতিক সড়ক (রোড বেল্ট) নির্মাণাধীন রয়েছে। এতে যোগ দিতে ভারত আমাদের আগেই প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন খালেদা জিয়া সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে।’

তিনি বলেন, ‘তৎকালীন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ভারতীয় প্রস্তাবের সংক্ষিপ্তসার নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও, খালেদা জিয়া একতরফাভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।’

‘রাস্তাটি নির্মিত হলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বাড়বে। কৌশলগত স্বার্থ বিবেচনায় রোড বেল্টে আমাদের জড়িত হওয়া দরকার,’ বলেন ড. মোমেন।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং ভারত বলেছে যে তারা আরও দুটি দেশের সাথে এ বিষয়ে পরামর্শ করবে।

কার্যকর উপায়ে আঞ্চলিক সংযোগ ‍বৃদ্ধি করতে বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া ও নেপাল) অঞ্চলের পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের জন্য পারস্পারিক সহযোগিতার বিভিন্ন উপায় নিয়েও আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া।
ষ্ট্রমন্ত্রী

ইন্ডিয়ান পক্ষ বাংলাদেশের অনুরোধের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখতে চাই আমাদের পণ্য বোঝাই ট্রাক ভুটান এবং নেপালে প্রবেশ করছে। আমরা আরও সংযোগ চাই।’

উল্লেখ্য, পারস্পরিক বাণিজ্য বিস্তারসহ বিভিন্ন কারণে নির্মাণ করা হচ্ছে ইন্ডিয়া, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের ত্রিদেশীয় মহাসড়কটি। ইন্ডিয়ার মনিপুর থেকে মিয়ানমারের মান্দালে ও রেঙ্গুন হয়ে থাইল্যান্ডের মা-সত পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে এক হাজার ৩৬০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটি।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading