ভ্যাকসিন নিয়ে বাংলাদেশের ‘সমস্যা হবে না’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ | সোমবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০২১ | আপডেট: ১৮:২০
করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রপ্তানির বিষয়ে ইন্ডিয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে করা চুক্তিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘ইন্ডিয়ায় ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা শুনেছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা যোগাযোগ করছি। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্ডিয়ায়র রাষ্ট্রদূতের সঙ্গেও কথা বলেছি। আশা করছি সিরামের সঙ্গে চুক্তি ব্যাহত হবে না। চুক্তি অনুযায়ী আমরা ভ্যাকসিন পাবো। এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।’
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘এ এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। আশা করছি ইন্ডিয়া চুক্তির প্রতি সম্মান দেখাবে।’
‘জানুয়ারির মধ্যে আমরা সিরামের ভ্যাকসিন পাবো তা জেনেছিলাম, এখন কবে পাওয়া যেতে পারে’- সাংবাদিকের এমন এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। নিশ্চিত হলে বলতে পারবো। এ সমস্যাটি নতুন করে তৈরি হয়েছে। গতকালও আমরা নিশ্চিত ছিলাম ভ্যাকসিন পাবো। আজ (সোমবার) শুনলাম ইন্ডিয়া সরকার ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।’
মন্ত্রী জানান, ইন্ডিয়াকে ভ্যাকসিন দেওয়া বাবদ টাকা পাঠানোর সব কাজ শেষ হয়ে গেছে। আগামীকাল মঙ্গলবার চুক্তি অনুযায়ী অর্ধেক টাকা অর্থাৎ ১২০ মিলিয়ন ডলার পাঠানো হবে।
এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান বলেন, ভ্যাকসিন রপ্তানির ক্ষেত্রে ইন্ডিয়া যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। গত ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকার, বেক্সিমকো ফার্মা ও সেরাম ইনস্টিটিউট এর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ইন্ডিয়া নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাণিজ্যিক রপ্তানির ক্ষেত্রে। তাই বাংলাদেশের ভ্যাকসিন পেতে সমস্যা হবে না।
প্রসঙ্গত, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনর তিন কোটি ডোজ কিনতে গত ৫ নভেম্বর সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে ভ্যাকসিনর ৫০ লাখ ডোজ পাঠাবে সেরাম ইনস্টিটিউট।

