ফুল বিক্রেতা মিম হত্যার বিচার চেয়ে বিক্ষোভ

ফুল বিক্রেতা মিম হত্যার বিচার চেয়ে বিক্ষোভ

উত্তরদক্ষিণ | মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ |
আপডেট| বুধবার, ৩ফেব্রুয়ারি ২০২১ | আপডেট: ১০:৩২

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল বিক্রেতা কিশোরী মিমকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। মিম হত্যার বিচার ও জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন কর্মজীবী নারীরা।

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

‘কর্মজীবী নারী’রা এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশের শুরুতে বক্তব্য দেন মিমের মা রুমা বেগম। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েকে নির্যাতনের শাস্তি চাই, আজকে আমার মেয়ের যে অবস্থা হয়েছে, এমন ঘটনা যেন আর কারও সঙ্গে না ঘটে। আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়।’

‘কর্মজীবী নারী’র নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠক আল জাহিদ, জাতীয় শ্রমিক জোটের দপ্তর সম্পাদক রাজীব আহমেদ, জাতীয় পোশাক শিল্প শ্রমিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহানাজ। সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন নারীপক্ষের সহকারী প্রকল্প ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন, সদস্য নাজমা বেগম ও সৈয়দা সালমা পারভীন।

সমাবেশে সানজিদা সুলতানা বলেন, সকল নাগরিকের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং শ্রেণিবৈষম্যভেদে সকল নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্রকেই। সেই সঙ্গে সকল শিশুর ভরণপোষণ এবং নিরাপদ শৈশবের ব্যবস্থা রাষ্ট্রকেই করতে হবে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোনো নির্যাতনের যথাযথ শাস্তি হচ্ছে না বলেই এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে। এ সময় বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে মিম হত্যার সর্বোচ্চ দাবি জানান।

বক্তারা এ সময় মিমের মা ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত কিশোরী মিম (১৪) এক সময় শহীদ মিনার এলাকায় ফুল বিক্রি করত। সম্প্রতি মেয়েটি হাজারীবাগের ঝাউচর এলাকায় চলে যায়। গত শনিবার রাত ১২টার দিকে তিন বান্ধবীসহ সে শহীদ মিনার এলাকায় ঘুরতে আসে। রাত আড়াইটার দিকে কিশোরীকে টাকার বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দেয় খায়ের। রাজি না হলে তাকে শহীদ মিনারের পাশে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে গলা টিপে মেয়েটিকে হত্যা করে সে। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading