‘মুজিব চিরন্তনে’র শেষ দিনের আয়োজন শুরু
উত্তরদক্ষিণ | শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১ | আপডেট: ১৬:৫৯
আজ শুক্রবার (২৬ মার্চ) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা ‘মুজিব চিরন্তনে’র শেষ দিন। এদিনের প্রতিপাদ্য ‘স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর ও অগ্রগতির সুবর্ণরেখা’।
শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়েছে। এরপর অতিথিরা আসনগ্রহণ করেছেন। ধর্মগ্রন্থ তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা পর্ব শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হয়েছেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও পৌঁছেছেন অনুষ্ঠানস্থলে। তাকে স্বাগত জানিয়েছেন অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পাশাপাশি উপস্থিত আছেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীসহ বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা। এ অনুষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন মিডিয়া এবং স্যোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে আলোচনা অনুষ্ঠান। এরপর ৩০ মিনিটের বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।
আলোচনা পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেবেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক। আলোচনা পর্বে সম্মানিত অতিথি ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রধান অতিথি রাষ্ট্রপতি বক্তব্য রাখবেন। এরপর সম্মানিত অতিথিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ‘মুজিব চিরন্তন’ শ্রদ্ধাস্মারক। অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের পর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো উন্মোচন করবেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় সংগীতজ্ঞ পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর পরিবেশনায় বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে নবনির্মিত রাগ ‘মৈত্রী’ পরিবেশনা, ‘পিতা দিয়েছে স্বাধীন স্বদেশ, কন্যা দিয়েছে আলো’ শীর্ষক থিমেটিক কোরিওগ্রাফি, ‘বিন্দু থেকে সিন্ধু’ শীর্ষক তিনটি কালজয়ী গান, ঢাক-ঢোলের সমবেত বাদ্য ও কোরিওগ্রাফি সহযোগে ‘বাংলাদেশের গর্জন: আজ শুনুক পুরো বিশ্ব’ পরিবেশন করা হবে। সবশেষে ফায়ার ওয়ার্কস ও লেজার শো’র মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

