বাবুনগরীর বক্তব্য মিথ্যাচার আর দ্বৈততার বহিঃপ্রকাশ: ইনু
উত্তরদক্ষিণ | শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১ | আপডেট ২২:০০
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, হেফাজতের আমির বক্তব্য অত্যন্ত নিম্নমানের চতুরতা, ধূর্ততা, ধড়িবাজি, চটকদারিতা, অসততা, মিথ্যাচার, ভণ্ডামো আর দ্বৈততার বহিঃপ্রকাশ।
শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু এ সব কথা বলেন।
বাবুনগরীর ‘লকডাউন তুলে নেওয়ার বিনিময়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জেলে যাব’ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জাসদের এ নেতা বলেন, কয়লা ধুইলে যেমন ময়লা যায় না, বাবুনগরীর সাম্প্রদায়িক ও অন্য ধর্মের মানুষদের প্রতি বিদ্বেষী মনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে মুসলিম ভিন্ন অন্য ধর্মের অফিসারদের নিয়ে চরম সাম্প্রদায়িক, বিদ্বষী কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।
জাসদ সভাপতি হেফাজতসহ রাজনৈতিক মোল্লাদের চতুরতা, ধূর্ততা, চালাকি, ধড়িবাজি, চটকদারিতা, অসততা, ভণ্ডামো, দ্বৈততা ও মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ রাষ্ট্রদ্রোহীর বিরুদ্ধে সকল দেশপ্রেমিক, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল, মানবতাবাদী, শোভন রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তি, ব্যক্তি ও মহলকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বাবুনগরী লকডাউনকে এমনভাবে চিহ্নিত করেছে যে, লকডাউন বাংলাদেশ সরকারের আবিষ্কার। সরকার লকডাউন দিয়েছে দেশের সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিতে, হেফাজতি নেতাদের গ্রেফতার করতে আর মুসলমানদের ইবাদত বন্ধ করতে। লকডাউন নিয়ে বাবুনগরীর বক্তব্য জাজ্বল্যমান মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।’
ইনু বলেন, বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করার সঙ্গে লকডাউনকে মিলিয়ে দেওয়াও বাবুনাগরীর নিকৃষ্ট চতুরতা, চালাকিপনা, ধূর্ততা, ধড়িবাজি মার্কা কথা। লকডাউনে কি ফৌজদারি মামলায় সুনির্দিষ্টভাবে অভিযুক্ত আসামি গ্রেফতারে রাষ্ট্রীয় আইনে এমনকি ইসলামে কোনো বাধা আছে? দেশের সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে কথা বলা বাবুনগরীর মায়াকান্না ও ভণ্ডামি ছাড়া কিছুই নয়। বাবুনগরী, মামুনুলরা মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে মানুষের সাদকা-যাকাত-দানের টাকায় ব্যক্তিগত ভোগ-বিলাস-আমোদ-প্রমোদেই জীবন কাটায় তার প্রমাণ মানুষের সামনে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে।’

