কস্টিউম ডিজাইনার জিমির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা
উত্তরদক্ষিণ| শনিবার, ৭ আগস্ট ২০২১| আপডেট ১৩:০৮
গ্রেপ্তারকৃত ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ করিম জিমির বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করেছে পুলিশ। বনানী থানার ওসি নূরে আযম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “গতকাল শুক্রবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক উদয় কুমার মণ্ডল বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
“গ্রেপ্তার জিমির সঙ্গে ২২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গিয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করবে।” গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশান থেকে জিমিকে গ্রেপ্তারের পর রাতে গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার হারুন অর রশীদ মাদক আইনে মামলা করার প্রস্তুতির কথা বলেছিলেন।
পরীমনি গত জুন মাসে ঢাকা বোট ক্লাবে গিয়ে ‘নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার শিকার’ হওয়ার অভিযোগ তোলার পর জিমির নামও আলোচনায় আসে। জিমিও সেদিন বোট ক্লাবে পরীমনির সঙ্গে ছিলেন।
পরীমনির বনানীর বাসায় ১৩ জুনের সেই সংবাদ সম্মেলনে বোটক্লাবের ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পরীমনিকে ‘মারধরের’ ঘটনা এবং নিজেও মারধরের শিকার হওয়ার কথা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেছিলেন জিমি। তবে এরপর পরীমনির বিরুদ্ধেই আরেকটি ক্লাবে ভাংচুর চালানোর অভিযোগ আসে। তার সঙ্গে বিভিন্ন ক্লাবে জিমিরও নিয়মিত যাতায়াত ছিল।
এদিকে ‘ডিজে পার্টি’ আয়োজনের আড়ালে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত মঙ্গলবার শরিফুল হাসান (মিশু হাসান) ও মাসুদুল ইসলাম ওরফে জিসান নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পরদিন বুধবার র্যাব যায় পরীমনির বনানীর বাসায়। কয়েক ঘণ্টা অভিযান শেষে পরীমনি এবং তার সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দীপুকে আটক করে নিয়ে যায় র্যাব। এরপর অভিযান চলে বনানীতে চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের বাড়িতে। সেখান থেকে রাজ এবং তার ব্যবস্থাপক সবুজ আলীকে র্যাব আটক করে।
র্যাব সদরদপ্তরে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসা থেকে উদ্ধার করা মদ ও মাদক দেখানো হয়। মিশু ও জিসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরীমনি ও রাজের বাড়িতে অভিযান চালানো হয় বলে কমান্ডার আল মঈন সেদিন জানান। পরীমনি, রাজ ও তাদের দুই সহযোগীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর বনানী থানায় মাদক আইনে দুটি এবং পর্নগ্রাফি আইনে একটি মামলা করা হয়।

