লাশের রাজনীতি করার চেষ্টা করছে একটি উগ্র মৌলগোষ্ঠী
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ০৯ নভেম্বর ২০২১। আপডেট ২১:০০
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আমি সহযোগিতা চাই। একটি উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী লাশের রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।
যে যার যার পছন্দ মতো ভোট দেবে। কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে তাহলে নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। আপনাদের চোখ কান খোলা রাখবেন। যেভাবে ২০০১ সালে ১৬ জুনে বোম ব্লাস্ট করা হয়েছিল। সামনে আরেকটা নির্বাচন আসছে। কোন নির্বাচন আমি বলতে চাই না। ঠিক একইভাবে এই এলাকায় নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য এমন কোন গেইম খেলতে পারে যাতে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে কিংবা যেন আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হই।
মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
শামীম ওসমান বলেন, আমরা সবাই নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা। আপনারা জানেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা একটা বড় উপজেলা। এই উপজেলায় সমান ভোট আছে। প্রায় দুই লাখের ওপর ভোটার আছে কুতুবপুর ইউনিয়নেই। প্রায় সাত আট লাখের মত ভোট সদর এলাকায় আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব অসুস্থ। আগামীকাল আমার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড বসবে। তারপরেও একটি খবর পেয়ে আমাকে ছুটে আসতে হয়েছে গতকাল। একটা তৃতীয়পক্ষ সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা হতে পারে স্বাধীনতাবিরোধী বা হতে পারে মোশতাকের বংশধর বা মৌলবাদী শক্তি। আমাদের পুলিশ, গোয়েন্দা, বিজিবি, র্যাব যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছেন। যেহেতু এই এলাকাটা মূলত আমার। তাই আমার নির্বাচনী এলাকায় একটা ইস্যু তৈরি করে একটা লাশের রাজনীতি করার চেষ্টা হচ্ছে। আমি প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবো। আমাদের এলাকায় শতভাগের ওপরে আমরা নিশ্চিত করেছি। ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন হবে। যারা নির্বাচনের মাঠে নেই তারাই এই গেইম খেলার চেষ্টা করছে।
এমপি বলেন, প্রশাসনের সকলের সঙ্গে বৈঠক করে আলোচনা করেছি। ডিসির সঙ্গেও বৈঠক করবো, তাকে জানাবো। আমি প্রশাসনকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। আমরা চাই একটা ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন হোক।
বাস ভাড়া নিয়ে তিনি বলেন, যৌক্তিক কারণেই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে আমার নিজেরও একটি বাস কোম্পানি আছে শীতল পরিবহন। আমরা তাদের বলেছি ভাড়া কমাতে। ইতোমধ্যে অনেক বাস মালিকরা আমাদের অনুরোধে টিকিট প্রতি পাঁচ টাকা করে কমিয়েছে। তবে শহরে জ্যামের কারণে তেল বেশি পুড়ছে। যে কারণে বাসের ভাড়া কমানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রশাসনকে বলতে চাই যাদের রুট পারমিট নেই সে, গাড়িগুলো যেন না চলতে পারে খেয়াল রাখবেন। এতে করে যাদের পারমিট আছে তারা যথেষ্ট যাত্রী পাবেন। ফলে আরও ভাড়া কমানো সম্ভব হবে। আমাদের পরিবারও এ বাসে চড়ে। সাধারণ মানুষ এ বাসে চলে। সাংবাদিক ভাইয়েরাও আমাদের এই রুট পারমিট ও ট্রাফিক জ্যামের বিষয়টা তুলে ধরবেন আশা করি।

