এমবাপেকে ছাড়া পিএসজি অচল!

উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২ । আপডেট ১২:৫০

পিএসজির আক্রমণভাগ তারকায় ঠাঁসা। মেসি, নেইমারের মতো মহীরুহরা আছেন সেখানে। তবে ফর্মের বিচারে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপেকে তারাও টক্কর দিতে পারছেন না। আর তাই দলটির কাছে তার মূল্য অনেক বেশি। কিন্তু এমবাপে ফরাসি ক্লাবটিতে তার চুক্তির শেষ বছরে আছেন, তরুণ এই ফরোয়ার্ডকে নতুন চুক্তি দিয়ে দলে রেখে দিতে চায় পিএসজি। ক্লাবটির কোচ মরিসিও পচেত্তিনো সরাসরি জানালেন সেই কথা, বললেন এমবাপেকে ছাড়তে তো চান-ই না, বরং তাকে নিজের সাথে ছুটি কাটাতে তার বাসাতেও নিয়ে যেতে চান। তাতে মনে হচ্ছে এমবাপেকে ছাড়া পিএসজি অচল।

চলতি সিজনে এখন পর্যন্ত পিএসজির হয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৩ গোল করেছেন এমবাপে, গোলসংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেইমারের গোল ১১, আর তৃতীয় স্থানে আছেন এই সিজনে গোলমুখে নিজেকে হারিয়ে খোঁজা লিওনেল মেসি (৮ গোল)। তাই দলের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রকে কোনভাবেই ছাড়তে চান না পচেত্তিনো, ‘আমি স্বার্থপরভাবে বলব, আমি তাকে আমার সাথে রাখতে চাই, তাকে ছুটিতে আমার বাসায় নিয়ে যেতে চাই। ক্লাব চায় সে এখানে থাকুক, ও থাকলে দারুণ হবে।’

তবে পচেত্তিনো মনে করেন, নতুন চুক্তি সম্পর্কিত আলোচনা চলতি মৌসুম সব ‘লক্ষ্যপূরণ’-এর পরই করা উচিত, যাতে এমবাপের খেলায় এর কোন প্রভাব না পড়ে। অবশ্য বর্তমান মৌসুমের পিএসজির পূরণ করার মতো লক্ষ্য আছেই আর একটি, লিগ শিরোপাটা। সেটাও দলটির পরবর্তী ম্যাচেই নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে, পিএসজি লেঁসের সঙ্গে পয়েন্ট না হারালে আর মার্শেই রেনের বিপক্ষে পয়েন্ট খোয়ালেই লিগ ওয়ানের শিরোপা উঠবে পিএসজির হাতে।

গত কয়েক মৌসুম ধরেই চলছে এমবাপের ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন। গত মৌসুমে তো এমবাপের জন্য করা রিয়াল মাদ্রিদের বড়সড় প্রস্তাব ফিরিয়েও দিয়েছিল পিএসজি। তাই এই মৌসুমে শেষে তার ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রিয়ালে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী পিএসজিতে চুক্তি নবায়ন করে আরও দুই বছর থেকেও যেতে পারেন তিনি। মার্কার খবর, এমবাপের মা এখন দোহাতে অবস্থান করছেন, সেখানে চুক্তি নবায়নের ব্যাপারে পিএসজির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করছেন তিনি।

ইউডি/সুপ্ত

Asadujjaman

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading