মুক্তিকামী নিপীড়িত মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু
মারুফ হোসাইন ধ্রুব । রবিবার, ২৯ মে ২০২২ । আপডেট ১৩:০৫
১৭ মার্চ ১৯২০ সালে বাংলার স্বাধীন রক্তিম সূর্যের অভ্যুদয় ঘটে, ১৭ মার্চ যেন বাংলার স্বাধীন রক্তিম সূর্যের উদয়। বঙ্গবন্ধুই বাঙালির স্বাধীনতার মহানায়ক। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার জন্ম না হলে বিশ্বের মানচিত্রে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেতাম না। মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা ছিল সীমাহীন। তিনি বাংলাদেশের জনগণকে নিজ সন্তানের মতোই ভালোবাসতেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বের মুক্তিকামী নিপীড়িত মেহনতী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা। শান্তি, সাম্য, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। জেল, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করেছেন।
জনগণের প্রতি জাতির পিতার অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের প্রতি বিশ্বাসেরও বিষয়টিও সুস্পষ্ট। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র জীবনটাই ছিল যেন মানুষকে ভালোবাসার। দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে, এটা ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবনের অন্যতম দর্শন। বঙ্গবন্ধু গড়তে চেয়েছিলেন সুস্থ সবল, বৈষম্যহীন জ্ঞানসমৃদ্ধ বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু তারই উদ্ভাবিত ওই উন্নয়ন দর্শন বাস্তবে রূপ দিতে অন্যতম মৌল-উপাদান হিসেবে সমবায়ের অন্তর্নিহিত শক্তি পুরোমাত্রায় ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, বয়স-পেশা নির্বিশেষে সব মানুষের সুযোগের সমতার অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শনে নীতি-নৈতিকতার নিরিখে সব মানুষ মানুষ হিসেবে সমান। যদিও বঙ্গবন্ধু নিজে কোনো কমিউনিস্ট ভাবধারার ছিলেন না, তবুও তিনি অনুধাবন করেছিলেন শ্রমিক শ্রেণির উন্নয়নের জন্য, সমাজতন্ত্রের প্রতিফলন তার রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ঘটাতে হবে। ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়ে জোড় দিয়েছিলেন- যার মূলনীতি হলো ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। এর মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে একটা সমপ্রীতির বন্ধন তৈরি করার প্রয়াস আছে, যাতে উন্নত দেশ গঠনের কাজে সবাই এক হয়ে কাঁধে কাঁধ মেলাতে পারে।
তিনি এমন একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক মহাকাব্য নির্মাণ করে গেছেন, লাখো বাঙালি শুধু যার স্বপ্নই দেখতেন। পিতার দেওয়া উন্নয়ন-দর্শন বাস্তবায়নে তার প্রিয় কন্যা দেশরত্নশেখ হাসিনা বদ্ধপরিকর। তার যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বনেতাদের কাছে পেয়েছে সমীহ এবং জাতির জনকের কন্যা তার পিতার উন্নয়ন-দর্শন বাস্তবায়ন করে আজ বিশ্বের একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাইতো বঙ্গবন্ধুড় সোনার বাংলা আজ তার প্রিয় কন্যা শেখ হাসিনার কাছেই অধিক নিরাপদ এবং অধিক সুসংহত।
ইউডি/সুস্মিত

