৩০ বছর বয়সেই ৫০ সন্তানের বাবা!
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১১:৪০
আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা কাইল জর্ডি। বয়স মাত্র ৩০। আর এই বয়সেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ৫০ সন্তানের বাবা হয়েছেন তিনি। কিন্তু এখানেই থামতে চান না এই যুবক। কাইলের দাবি, শিগগিরই আরও ১৫ সন্তানের বাবা হতে চলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায়, কাইল মূলত নিয়মিত শুক্রাণু দান করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাইল জানিয়েছেন, শুক্রাণু দান করাই তার নেশা। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও কাইলের দাবি, মাঝেমধ্যেই অনলাইনে বিভিন্ন দেশ থেকে সন্তানধারণে ইচ্ছুক নারীরা যোগাযোগ করেন তার সঙ্গে। তবে বছর দুয়েক ধরে কেবল ফিলিপিন্সের একটি নির্দিষ্ট ক্লিনিকেই নিজের শুক্রাণু দান করছেন তিনি। আইভিএফ পদ্ধতিতে তার শুক্রাণু ব্যবহার করে ওই ক্লিনিকটি। বীর্যে শুক্রাণুর ঘনত্ব যাতে না কমে, তার জন্য রীতিমতো নিয়ম করে খাওয়া-দাওয়া করেন কাইল। প্রত্যেক বার শুক্রাণু দান করার আগে ক্লিনিকের পক্ষ থেকে পরীক্ষা করা হয় শুক্রাণুর ঘনত্ব। কোনো যৌন রোগ আছে কি না, পরীক্ষা করে দেখা হয় তা-ও। সব যথাযথ থাকলে তবেই শুক্রাণু নেওয়া হয়।
পৃথিবীর একাধিক দেশে শুক্রাণুদাতার পরিচয় গোপন রাখা হয়। তবে কাইল গোপনীয়তা খুব একটা পছন্দ করেন না। বরং যারা তার শুক্রাণু নিচ্ছেন, তাদের সঙ্গে আগে থেকে আলাপ করতে পছন্দ করেন। কাইলের দাবি নিজের সব সন্তানকেই সমান ভালোবাসেন তিনি।
প্রসঙ্গত, অনেক পুরুষের ভাবনা, সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বয়স কোনো বাধা নয়। তাদের এই ধারণা একেবারেই ভুল। যদিও ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি অনেক পুরুষও সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন। গিনেস বুক রেকর্ডসের মতে, ৯২ বছর বয়সি এক পুরুষ সন্তানের জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন।
বিভিন্ন গবেষণা বলছে, ৪০ বছরের পর পুরুষদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়স পিতা হওয়ার জন্য আদর্শ।
নারীদের ক্ষেত্রে ঋতুবন্ধের পরে সন্তানধারণের কোনও সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু ছেলেদের শরীরে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়া কখনও বন্ধ হয় না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তাদের নারীদের মতো ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ নেই।
ইউডি/কেএস

