ভয়াবহ অন্ধকারে নিমজ্জিত দেশ : রিজভী

ভয়াবহ অন্ধকারে নিমজ্জিত দেশ : রিজভী

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২ । আপডেট ১৭:০০

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশ ভয়াবহ অন্ধকারে নিমজ্জিত। আজকে ছাত্রলীগের নামে ছাত্র আছে, কিন্তু পড়ালেখা তো নেই। ফলে, এই দলের নেতৃবৃন্দ চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতনসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। কারণ, আওয়ামী লীগ শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ চায় না।

আজ সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন রিজভী। ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি ও সারা দেশে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল।

রিজভী বলেন, সারা দেশকে এক ভয়াবহ অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরিণাম যে কী ভয়াবহ হবে, তা তিনি টের পাচ্ছেন না।’ তিনি বলেন, ছাত্রলীগ আজ সন্ত্রাসী সংগঠন, ছাত্রলীগ আজকে নারী নির্যাতনকারী। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সরকার গোটা দেশকে এক লুটপাটের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। এই অনাচার চলতে দেওয়া যায় না। জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্বে মহিলা দলের নেতাকর্মীদেরকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আজকে ছাত্রলীগের নামে ছাত্র আছে, কিন্তু পড়ালেখা তো নেই’ উল্লেখ করে বিএনপির এই শীর্ষনেতা বলেন, ‘আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন কলেজে যা হচ্ছে তা অবর্ণনীয় ও ন্যাক্কারজনক। আসলে সরকার ছাত্রলীগকে কী বানাচ্ছে?’ তিনি বলেন, ‘আজকে দেশে পড়ালেখা নেই। প্রধানমন্ত্রী পড়ালেখা তুলে দিয়েছেন।

রিজভী বলেন, ইডেনে ছাত্রলীগের কুকীর্তি ন্যাক্কারজনক। আসলে ছাত্রলীগের ওপরের দিকে যারা আছেন তারা ভালো না। ফলে, ছাত্রলীগ তো নারীদের ওপর আক্রমণ করবেই। তারা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ চাইবে না। রিজভী আরও বলেন, যারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে কব্জা করে যারা দিনে ভোট করার সাহস পান না, রাতে ভোট করতে হয়, তারা তো চায় না আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শান্তিপূর্ণভাবে চলুক, দেশের মানুষ উচ্চ শিক্ষিত হোক। তারা ইডেন কলেজ ছেড়ে দিয়েছে ছাত্রলীগকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়েছে ছাত্রলীগকে, তারা সেখানে হলগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হাতে ছেড়ে দিয়েছে। সেখানে কোনো ভবন নির্মাণ কাজ হলে সেগুলো থেকে চাঁদা দাবি করে।

ইউডি/সুপ্ত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading