আমার শৈশব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল: প্যারিস হিলটন

আমার শৈশব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল: প্যারিস হিলটন

উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২ । আপডেট ১০:১৫

ছোটবেলায় স্কুলে পড়াকালীন সময়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলে জানালেন মার্কিন টিভি ব্যক্তিত্ব প্যারিস হিলটন। বছর দুয়েক আগে তাকে নিয়ে বানানো ইউটিউব তথ্যচিত্রে বিভিন্ন হয়রানির কথা তুলে ধরলেও এই প্রথম যৌন হয়রানির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে অভিযোগ তুললেন এই মডেল।

প্যারিস হিলটন একাধিক পরিচয়ে পরিচিত। মডেল, ব্যবসায়ী ও লেখক— বিশ্বের খ্যাতনামাদের শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করছেন এই আমেরিকান ধনকুবের বংশীয় নারী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শৈশবের এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা জানালেন প্যারিস। বোর্ডিং স্কুলে পড়াকালীন যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

১৯৯০ সাল। তখন তার বয়স ১৭ বছর। সবেমাত্র কিশোর জীবনে পা দিয়েছেন। অনেক কিছুই বুঝে উঠতে পারতেন না তিনি। ইউটা বোর্ডিং স্কুলে প্রায় ১১ মাস কাটিয়েছিলেন প্যারিস। গলা এবং ঘাড়ের কোনো সমস্যায় বাচ্চাদের কেউ ভুগছে কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য বোর্ডিং স্কুলের কর্মীরা সব মেয়েকে একটি কক্ষে নিয়ে যেতেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্যারিস বলেন, ‘তখন রাত তিনটা কি চারটা। কোনো শারীরিক পরীক্ষা করা হবে বলে কর্মীরা আমাকে এবং ওখানকার অন্য মেয়েদের একটি আলাদা ঘরে যেতে বলেন। ঘরের ভেতর যারা ছিলেন, তাদের কাউকে দেখে চিকিৎসক মনে হচ্ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘরের ভেতর স্কুলের কয়েকজন কর্মীই ছিলেন। তারা মেয়েদের শুইয়ে দিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিচ্ছিলেন। তখন আমার সঙ্গে ঠিক কী হচ্ছিল তা বুঝতে পারিনি। তবে, খুব ভয় পেয়েছিলাম।’

এই ঘটনা বহুদিন তাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে বলেও জানান প্যারিস। ‘বড় হওয়ার পর যখন আমার অতীত ফিরে দেখি, তখন বুঝতে পারি, আমার শৈশব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, আমার ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল,’ বলেন তিনি।

ওই ঘটনার পর নিজের মানসিক অবস্থা নিয়ে প্যারিস আরও বলেন, ‘আমার শৈশবকে হত্যা করা হয়েছে। এটা এখনো নিষ্পাপ শিশুদের সঙ্গে করা হচ্ছে। যন্ত্রণাময় ঘটনা নিয়ে তাদের মুখ খোলাটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটা হয়রানি বন্ধে ভূমিকা রাখবে।’ তবে প্যারিসের অভিযোগের বিষয়ে তার স্কুলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading