১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা: আপিল শুনানি ৩ জানুয়ারি

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা: আপিল শুনানি ৩ জানুয়ারি

উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২। আপডেট ১২:১৫

বহুল আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং আপিল শুনানির জন্য আগামী ৩ জানুয়ারি দিন রেখেছে হাই কোর্ট। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) এ মামলা শুনানির জন্য নতুন এই তারিখ দেয়।

‘রাষ্ট্র বনাম মো. লুৎফুজ্জামান বাবর এবং অন্যরা’ শিরোনামের এ মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসার পর রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করায় আদালত নতুন এই তারিখ দিয়েছে। এদিন রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস। নতুন তারিখের বিষয়টি নির্মল কুমার পরে গণমাধ্যমকে জানান।

২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দশ ট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের ঘটনায় দুই মামলায় চট্টগ্রামের একটি আদালতে রায় হয়। এরপর একই বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় ও অন্যান্য নথি অনুমোদনের জন্য নিয়ম অনুযায়ী হাই কোর্টে আসে। দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় করা চোরচালান মামলার রায়ে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ মোট ১৪ জনের ফাঁসির রায় দেন চট্টগ্রামের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এস এম মজিবুর রহমান।

এই ১৪ জনের মধ্যে এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুর রহীম এবং ইন্ডিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াও রয়েছেন। ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল মধ্যরাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদী তীরে রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সংরক্ষিত জেটিঘাটে দুটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র খালাস করে ট্রাকে তোলার সময় পুলিশ আটক করে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদের সর্ববৃহৎ চালান ধরা পড়ার পর দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে তদন্তে দেখা যায়, চীনের তৈরি এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ সমুদ্রপথে আনা হয় ইন্ডিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘উলফা’র জন্য। বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ওই চালান ইন্ডিয়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

ইউডি/সুপ্ত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading