‘নির্বাচনকালীন প্রয়োজন নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা’
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২। আপডেট ১৪:২৫
সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, এদেশে ১১টি নির্বাচনের মধ্যে সাতটি নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হয়েছে। প্রত্যেকটিতে ক্ষমতাসীনরাই ফের ক্ষমতায় এসেছে। আর চারটি তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেশে ও বিদেশে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। এছাড়াও ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। তাই এজন্য নির্বাচনকালীন প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতার জন্য নিরপেক্ষ সরকার হতে হবে। তবে তত্বাবধায়ক সরকারও হতে পারে। আবার সর্বদলীয় সরকারও হতে পারে। এটি ঠিক করবেন রাজনীতিবিদরাই।
দলীয় সরকারের অধীনে একটি উপ-নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব নয়। সদ্য বন্ধ হয়ে যাওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন এমন বার্তাই দিল। শনিবার (২২ অক্টোবর) ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে সুজন এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গাইবান্ধা-৫ উপ-নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে মাঠ প্রশাসনে সীমাহীন দলীয়করণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দলগুলোর নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে হবে। দলগুলোর মাঝেই অতীতের মতো এই অনুভূতি আসা উচিত যে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এজন্য সংবিধান সংশোধন করে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার বিষয়টি আনতে হবে।
ইভিএম নিয়ে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ১৫০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা। কেন না, এতে সমস্যা আরো বাড়তে পারে। ইভিএম কিংবা সিসি ক্যামেরা বসিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এজন্য সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচন ব্যবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে।
ইউডি/সুপ্ত

