বুয়েটছাত্র ফারদিন হত্যা: বান্ধবী বুশরা ৫ দিনের রিমান্ডে
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৪:৪৭
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র ফারদিন নূর পরশকে কে বা কারা, কোথায়, কেন হত্যা করেছে- এসব প্রশ্নের জবাব এখনো মেলেনি। সেই সঙ্গে বান্ধবী বুশরার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না সে বিষয়টিও এখনো পরিষ্কার নয়। এ কারণে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুশরার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) ফারদিনের বান্ধবীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মাওলা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিট ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা সেলিম রেজা বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে সাড়ে ৩টায় ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন রানা বাদী হয়ে রামপুরা থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে বান্ধবী ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী বুশরাসহ আরও অজ্ঞাত কয়েক জনকে আসামি করা হয়।
এর কয়েক ঘণ্টার পর বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রামপুরার নিজ বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করে রামপুরা থানা পুলিশের একটি দল।
ফারদিন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিসি হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, ‘ফারদিন হত্যার মোটিভ এখনো জানা যায়নি। আমরা জানার চেষ্টা করছি। এ ছাড়া বুশরার সঙ্গে ফারদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না তাও জানা যায়নি। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি বুশরার সঙ্গে ফারদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা জানান তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে।
এর আগে গত ৪ নভেম্বর রাতে নিখোঁজ হওয়ার আগে রামপুরায় বুশরাকে বাসায় নামিয়ে দেন ফারদিন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ইউডি/এআই

