‘জনপ্রতিনিধিদেরও ডোপ টেস্ট করা দরকার’
‘এলাকায় নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান উপকরণ থাকে চা-সিগারেট। আমরা এটা ভাবি না যে, যারা এখন সিগারেট দিচ্ছে, তারা তো আমাদের মেরে ফেলারই ব্যবস্থা করছে। কারণ, ১০ টাকার সিগারেট দিয়ে শুরু, পরে তারা ৭০০ টাকার ফেনসিডিল নেবে।’
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৪:০৫
পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা বলেছেন, ‘আমার মতে, জনপ্রতিনিধিদেরও ডোপ টেস্ট করা দরকার। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে তার মনোনয়ন বাতিল করা যেতে পারে। কারণ, নেশাগ্রস্ত মানুষের সমাজের প্রতিনিধিত্ব করা উচিত না।’
বুধবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘তামাকবিরোধী সমসাময়িক আন্দোলন ও নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এস এম শাহজাদা বলেন, ‘এলাকায় নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান উপকরণ থাকে চা-সিগারেট। আমরা এটা ভাবি না যে, যারা এখন সিগারেট দিচ্ছে, তারা তো আমাদের মেরে ফেলারই ব্যবস্থা করছে। কারণ, ১০ টাকার সিগারেট দিয়ে শুরু, পরে তারা ৭০০ টাকার ফেনসিডিল নেবে।’
তিনি বলেন, ‘আইন করে তামাক সেবন বন্ধ করা যাবে না। তামাকের বিরুদ্ধে আমাদের শুধু রুমে বসে প্রচারণা চালালে হবে না; স্কুল পর্যায়ে যেতে হবে। আমি মনে করি, আজকের সমাজে অভিভাবকরা ফেল করছে। হয় তারা তাদের সন্তানদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, না হয় নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তারা উদাসীন। বাচ্চারা রাতে বাসায় ফিরতে কেন দেরি করছে, সে বিষয়ে তাদের কোনো চিন্তা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শহর কিংবা গ্রামের দোকানগুলোর প্রধান ব্যবসা চা-সিগারেট। দোকানে বসে টিভিতে সিনেমা দেখা আর এদিকে সমানতালে চলে তামাক সেবন। সে কারণে দোকানে বিনোদনের ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে।’
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
সভায় আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য ফজলে হাসান বাদশা, বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত, বীর মুক্তিযোদ্ধা অরূপ রতন চৌধুরী, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আশরাফ উদ্দিন চুন্নু, নিরাপদ সড়ক চাইয়ের প্রধান সমন্বয়ক ইলিয়াস কাঞ্চন প্রমুখ।
ইউডি/এআই

