প্রতিবন্ধীদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ দিন
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১২:৫৫
আজ (৩ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাদের বাদ দিয়ে কোনো রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই জনগোষ্ঠীর মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে কর্মমুখী করে গড়ে তুললে ‘বোঝা’ নামক শব্দ আর্শীবাদে পরিণত হবে। বিস্তারিত লিখেছেন মিলন গাজী
সমঅধিকার নিশ্চিত হলে সম্ভাবনার হাতছানি: এ বছর প্রতিবন্ধী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনমুখী পদক্ষেপ: প্রবেশগম্য ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব বিনির্মাণে উদ্ভাবনের ভ‚মিকা’। শিক্ষার সুযোগ বাড়িয়ে প্রতিবন্ধী লোকদের জনশক্তিতে রূপান্তর করে তাদেরকে অর্থনীতির মূল ধারায় নিয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তার আওতা বৃদ্ধি ও চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর পরামর্শও দেন তারা। একজন প্রতিবন্ধী মানুষকে কেবল প্রতিবন্ধী হিসেবে অনুগ্রহ নয় দিতে হবে মানুষ হিসেবে যথাযোগ্য সম্মান। প্রতিবন্ধীদের যদি মানুষ হিসেবে যথাযোগ্য সম্মান ও সমঅধিকার ও সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা যায় তাহলে তারা দেশ ও জাতীর জন্য বয়ে আনতে পারে অকল্পনীয় সম্ভাবনাময় অর্জন । তাদের অনেকের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অসাধারণ প্রতিভা। সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং পরিচর্যার মাধ্যমে তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানো সম্ভব। অথচ সময়মতো চিকিৎসা পেলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা ভালো হয়ে যায় আর সম্পূর্ণ ভালো না হলেও সমাজে উপার্জনক্ষম হয়ে বেঁচে থাকতে পারে।
প্রতিবন্ধীদের সার্বিক উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান: আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস’ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মেধা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হলে তাদের উপযুক্ত পরিচর্যা ও প্রশিক্ষিত করে তোলা একান্ত প্রয়োজন। তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মানসিক বিকাশে বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, দেশি-বিদেশি সংস্থা ও সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে প্রতিবন্ধী মানুষের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের জনগণ, সংশ্লিষ্ট সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাদের বাদ দিয়ে রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

সীমাবদ্ধতাকে প্রাকটিসের মাধ্যমে জয় করতে হবে: সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ডা. ফাহমিদা খাতুন গণমাধ্যমকে বলেন, ডিজেবল মানুষকে লেবার মার্কেটে আনতে চাইলে সবার মত স্কিল ডেভলপ করতে হবে। সীমাবদ্ধতাকে ট্রেনিং ও প্রাকটিসের মাধ্যমে জয় করতে তাদের প্রস্তুত করতে হবে। তাদের স্কুলে পড়ার হার কম হলেও প্রপার ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে তাদের অনেক কাজে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিক্সের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আবদুল হামিদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ডিজিএবল মানুষদের মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী বা যারা কাজ করতে একেবারে অক্ষম তাদের সরকারের ভাতার আওতায় আনতে হবে। তবে অন্য প্রতিবন্ধী যারা আছে তাদের ট্রেনিং দিয়ে ইনকাম জেনারেট এক্টিভিটির মধ্যে আনতে হবে। এছাড়া দেশের সব মানুষকে ইনসুরেন্সের আওতায় আনতে হবে, যাতে কেউ দুর্ঘটনার কারণে ডিজেবল হলে ইনসুরেন্স কাভারেজের আওতায় থাকতে পারে।
কর্মসংস্থান নিশ্চিতসহ তিন দফা দাবি: বিশেষ ব্যবস্থায় কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে চাকরি প্রত্যাশী দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এসব দাবি জানান। আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে চাকরি প্রত্যাশী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গ্রাজুয়েট পরিষদ। মানববন্ধনে তারা বলেন, ২০১৮ সালে কোটা বাতিলের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের কর্মক্ষেত্রে যোগদানে বিশেষ ব্যবস্থা করার ঘোষণা দেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। টেকসই উন্নয়ন করতে হলে প্রতিবন্ধীদের বিশেষ ব্যবস্থায় চাকরিতে নিয়োগের সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রয়োজন। তারা আরও বলেন, সরকার প্রতিবন্ধীদের সুবর্ণ নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলন নেই। প্রতিবন্ধীরা দেশের সুবর্ণ নাগরিক হলে, কেন তারা কর্ম থেকে বঞ্চিত হবে? তাই প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানাচ্ছি। তাদের দাবিগুলো হলো- যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারের নবম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত চাকরিসহ স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি পর্যায়ে বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে বেকার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা; দৃষ্টি প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত যারা সহস্তে লিখতে সক্ষম নয়, এ ধরনের ব্যক্তিদের জন্য চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা এবং একাডেমিক পরীক্ষায় অভিন্ন জাতীয় শ্রুতিলেখক নীতিমালা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা; সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ৮৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকায় উন্নীত করা।

প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকি রোধে প্যারেন্টিং এডুকেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে: প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকি রোধে শিশুর জন্মের আগে থেকেই সতর্কতা গ্রহণ জরুরি। শিশুর প্রাক-শৈশবকালীন সময় সঠিক বিকাশ নিশ্চিতে প্যারেন্টিং এডুকেশন গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখতে পারে। এ এডুকেশনকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে নীতিগত উদ্যোগ প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস-২০২২ উপলক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ আয়োজিত ‘প্রতিবন্ধিতা ঝুঁকি হ্রাসে শিশুর সুষ্ঠু বিকাশ নিশ্চিতে প্যারেন্টিং এডুকেশন’ শীর্ষক সংলাপে এ দাবি উঠে আসে। সেমিনারে আরও বলা হয়, অভিভাবক এবং সম্ভাব্য অভিভাবক সবাইকে শিক্ষিত করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। সরকার ও মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সংলাপে এমেরিটাস অধ্যপাক এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের চেয়ারপার্সন ড. মঞ্জুর আহমেদ বলেন, ‘প্রাক-শৈশবকালীন বিকাশ নিশ্চিতে বাংলাদেশে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলো চিহ্নিত করে মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি তাদের বিকাশের প্রতি আরও নজর দিতে হবে। সামগ্রিক ও সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক সালেহা বিনতে সিরাজ প্রতিবন্ধিতা ঝুঁকি হ্রাসে প্রাক-শৈশবকালীন বিকাশ নিশ্চিতে প্যারেন্টিং এডুকেশনকে এগিয়ে নিতে সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর-২০২২ সালের তথ্যমতে, প্রতিবন্ধিতার শিকার মানুষের সংখ্যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়েছে। প্রতিবন্ধিতা রুখে দেওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ ও সাবধানতা অবলম্বনের মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম হলো প্যারেন্টিং এডুকেশন। এর মাধ্যমে মা-বাবাকে শিশুর যত্নে যথাযথভাবে সচেতন ও শিক্ষিত করে তোলা সম্ভব। যেকোনও মানুষের পরিপূর্ণ বিকাশ নিশ্চিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় তার প্রাক-শৈশবকাল, অর্থাৎ শূন্য থেকে পাঁচ বছর। এ সময় একজন মানুষের মস্তিষ্কের ৯০ শতাংশ বিকাশ ঘটে। এ সময় সামান্যতম অবহেলা হতে পারে শিশুর জন্য বিরাট ক্ষতির কারণ। আলোচনাটির সঞ্চালক ছিলেন মালালা ফান্ডের ইন-কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মোশারফ হোসেন তানসেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক মঞ্জুর হোসেন।

দেশে প্রকৃত প্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যায় গড়মিল: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে দেশের ২.৪ শতাংশ মানুষ শারীরিক, মানসিক বা যে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধিতার শিকার। এ হিসাবে দেশে প্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা ৪৭.৪২ লাখ যা, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের জরিপে উঠে আসা সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ শাহীন বলেন, দেশে বর্তমানে ২৯ লাখ ৪২ হাজার প্রতিবন্ধী আছেন। এর মধ্যে ২৩ লাখ ৫৭ হাজার জনকে এ পর্যন্ত ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। ন্যাশনাল সার্ভে অন পারসনস উইথ ডিজ্যাবিলিটিস (এনএসপিডি) ২০২১ এর জরিপে বলা হয়েছে, দেশের পুরুষদের ৩.২৯ শতাংশ এবং নারীদের ২.৩৪ শতাংশ কোনো না কোনভাবে প্রতিবন্ধী। এদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধীর সংখ্যাই বেশি। জরিপের তথ্যে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে প্রতিবন্ধীরা আশঙ্কাজনক হারে পিছিয়ে আছে। জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় শতভাগ এনরোলমেন্ট হলেও প্রতিবন্ধী শিশুদের মাত্র ৪০.৫৫ শতাংশ স্কুলে যেতে পারছে। সারা দেশে বেকারত্বের হার মাত্র ৫ শতাংশের মধ্যে হলেও প্রতিবন্ধীদের মাত্র ২৭.২১ শতাংশ কোনো না কোনো অর্থনৈতিক কাজে যোগ দিতে পেরেছেন। ৩৬ হাজার পরিবারে জরিপ চালিয়ে বিবিএস জানিয়েছে, বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গ্রামীণ এলাকার ২.৯২ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলের ২.৪৫ শতাংশের অন্তত একটি প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। শতভাগ প্রতিবন্ধী মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিএস। চলতি অর্থবছর ২০ লাখ ৮০ হাজার প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য জনপ্রতি ৭৫০ টাকা ভাতার বরাদ্দ রয়েছে। আগামী অর্থবছরে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ২৩ লাখ ৬৫ হাজারে উন্নীত করে জনপ্রতি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮৫০ টাকা।

জরিপে দেখা যায়, প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে ৪০.৫৫ শতাংশ প্রাথমিক শিক্ষা এবং ২৪.৩৬ শতাংশ মাধ্যমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সিলেট বিভাগে এই পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক, কারণ সিলেটের ৬৫.৩৯ শতাংশ শিশু প্রাথমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগ এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে রয়েছে। এই বিভাগে ২৯.২৭ শতাংশ শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়।প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৬.৫০ শতাংশ এ পর্যন্ত যেকোনো ধরনের ভাতা বা সহায়তা পেয়েছেন। এই জরিপের আগের ছয় মাসে এই হার ৪২.৫০ শতাংশ। তাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়েছেন। জরিপের আগের ছয় মাসে এই ভাতা পেয়েছেন ৩০.৭ শতাংশ। জরিপে আরো দেখা যায়, ১৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭.২১ শতাংশের কর্মসংস্থান হয়েছে। পুরুষদের মধ্যে এই হার ৪০.৩৯ শতাংশ এবং নারীদের মধ্যে ৭.৩ শতাংশ। কর্মসংস্থানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শতাংশ শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বেশি।
ইউডি/এজেএস

