পুলিশ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছিল : তথ্যমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৬:৫৫
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য বিএনপি গতকাল (বুধবার) থেকেই জমায়েত শুরুর চেষ্টা করে এবং পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। এজন্যই পুলিশ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে কীভাবে পুলিশের ওপর হামলা ও তাণ্ডব চালানো হয়েছে, তা আপনারা দেখেছেন। সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। গত পরশু রাতে বিআরটিসি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে আরও গাড়িঘোড়ায় আগুন দেওয়া হয়েছে। আমরা বহু আগে থেকেই বলেছিলাম, বিএনপি সমাবেশ না, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়।’
বিএনপি ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের ডাক দিলেও গতকাল ৭ ডিসেম্বর দুপুর থেকে নয়াপল্টনে জমায়েত হতে থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এরপর নয়াপল্টনের একটি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ করা হয়, আপনারা দয়া করে রাস্তার একটি লেন যাতে চালু থাকে, সেই ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করা হয়েছে। এরপর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অর্থাৎ মতিঝিল রমনা এলাকার ডিসি হায়াত সেখানে নিজে যান। যানবাহন চলাচলে রাস্তার একটি লেন চালু রাখতে তিনি যখন অনুরোধ করছিলেন, তখন তাকে পেছন থেকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। তার দেহরক্ষীকে দা দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। সেখান থেকে শুরু। ডিসি হায়াত, তার দেহরক্ষীসহ মোট আট পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সবমিলিয়ে ৩৫ পুলিশ আহত হয়েছেন।
এরপর পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয় দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।’
বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ ঢুকলে অবিস্ফোরিত ১৫টি ককটেল, দুই লাখ পানির বোতল, ১৬০ বস্তা চাল, রান্না করা খিচুরি, ডেকচি, হাঁড়ি-পাতিল পায়। এছাড়া নগদ দুই লাখ টাকাও সেখানে পাওয়া যায় বলেও জানান আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
ইউডি/এ

