সৌদির কাছে ৩ বিলিয়ন ডলার চায় পাকিস্তান

সৌদির কাছে ৩ বিলিয়ন ডলার চায় পাকিস্তান
‘পাকিস্তানের বৈদেশিক রিজার্ভ সাড়ে সাত বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ থেকে তিন বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের মাধ্যমে এটি বাড়ানো হবে।’

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৬:০০

‘জরুরি ভিত্তিতে’ সৌদি আরবের কাছে ৩০০ কোটি ডলার (তিন বিলিয়ন) চেয়েছে পাকিস্তান। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ।

অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে সবরকম চেষ্টা করছে পাকিস্তান। আইএমএফ এর অর্থায়নের সব শর্ত পূরণ হলেও এখনও অর্থ হাতে পায়নি দেশটি। এ কারণে শুক্রবার (০৯ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, ‘পাকিস্তান দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ থেকে তিন বিলিয়ন ডলার বাহ্যিক অর্থায়নের আশা করছে।’

দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর পরবর্তী তহবিল প্রকাশের পর্যালোচনা সেপ্টেম্বর থেকে মুলতুবি রয়েছে। এটি পাকিস্তানকে বহিরাগত অর্থায়নের তীব্র প্রয়োজনে ফেলেছে।

পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার শুক্রবার জিও নিউজ টিভিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আইএমএফের নবম পর্যালোচনার জন্য সব লক্ষ্যমাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। তারপরও এর কিস্তি আটকে থাকার কোনো অর্থ হয় না।’

পাকিস্তানে আইএমএফ এর আবাসিক প্রতিনিধি এসথার পেরেজ রুইজ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা সামষ্টিক অর্থনৈতিক এবং আর্থিক টেকসইতা প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে বন্যার মানবিক ও পুনর্বাসনের প্রয়োজনগুলো মোকাবেলা করার জন্য নীতিগুলি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

দার বলেন, ‘পাকিস্তানের বৈদেশিক রিজার্ভ সাড়ে সাত বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ থেকে তিন বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের মাধ্যমে এটি বাড়ানো হবে।’

বর্তমান রিজার্ভ পাকিস্তানের এক মাসের আমদানির জন্য যথেষ্ট নয়। আইএমএফ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে দার বলেন, ‘নবম (আইএমএফ) পর্যালোচনার জন্য সব প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা পর্যালোচনাটি সম্পূর্ণ না করে ‘‘অস্বাভাবিক আচরণ’’ করছে।’

তিনি বলেন, ‘আইএমএফ বিলম্ব হলে পাকিস্তান বিকল্প ব্যবস্থা করবে। যদি টাকা না আসে, আমরা ম্যানেজ করব, কোনো সমস্যা নেই।’

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading