সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ ডিসেম্বর

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ ডিসেম্বর
দীর্ঘ ৩১ বছর পর এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। এরপর গত বছরের ১১ জানুয়ারি মামলার বাদী ও সগিরা মোর্শেদের স্বামী আবদুস সালাম চৌধুরী আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৭:৩৬

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পিছিয়ে ১৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক রফিকুল ইসলামের আদালত এ দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে সাক্ষী সাদিয়া চৌধুরী অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হননি। এ জন্য রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন- নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাশুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান এবং ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা।

২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত সগিরা মোর্শেদের ভাশুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩১ বছর পর এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। এরপর গত বছরের ১১ জানুয়ারি মামলার বাদী ও সগিরা মোর্শেদের স্বামী আবদুস সালাম চৌধুরী আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

এর আগে ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সগিরার ভাশুরসহ চারজনকে আসামি করে এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইর পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম। এরপর একই বছরের ৯ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পিবিআইর দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই বিকেলে ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সগিরা মোর্শেদকে। প্রথমে ছিনতাইয়ের ঘটনা মনে হলেও পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের এক দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণেই তাকে হত্যা করা হয়।

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading