এ কোন রুনা খান?
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৩:০৫
এক যুগ আগে ৫৬ কেজি ওজন ছিল অভিনেত্রী রুনা খানের। ২০০৯ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের পরের বছর সন্তানও হয়। একপর্যায়ে ওজন দাঁড়ায় ৯৫ কেজিতে। ২০১১ সালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বেড়ে যাওয়া ওজন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন রুনা খান। তারপর থেকে শুরু করেন নিজের সঙ্গে যুদ্ধ।
তবে তিনি পেরেছেন। ওজন কমিয়ে আবেদনময়ী রূপ নিয়ে ফিরেছেন দর্শকদের জন্য।
রুনার এই ওজন কমাতে সময় লেগেছে এক বছর। এর পেছনে ছিল দীর্ঘ দিনের প্রস্তুতি। আর ওজন নিয়ন্ত্রণে আনার পরে নতুন আঙ্গিকে নিজেকে তুলে ধরে প্রায়ই ছবি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সম্প্রতি মালদ্বীপ ঘুরতে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সেখানে সমুদ্রপাড়ে নীল জলরাশিতে নতুনভাবে মেলে ধরেছেন নিজেকে। সেই ছবি সোশ্যালে পোস্ট করার পরে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।

২০ ডিসেম্বর ফেসবুক ভেরিফাইড হ্যান্ডেলে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে জানান, ছুটির দিনে মালদ্বীপের সমুদ্রসৈকতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।
রুনা সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকায় ভক্ত-অনুরাগীরা তাদের কৌতূহল মিটিয়ে থাকেন। এভাবে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে সহজেই যুক্ত থেকে নিজেকে আপডেটও রাখতে পারেন তিনি।

‘নো মেকআপ, নো ফিল্টার’ লুকের ছবিগুলো রিঅ্যাকশনে ভরিয়ে দিয়েছে শুভাকাঙ্ক্ষীরা। মাত্র কয়েক ঘণ্টায় প্রায় ১০ হাজারের বেশি লাইক-কমেন্ট পড়েছে ছবিগুলোয়।
রুনা খান জানিয়েছেন, ‘ওজন কমানোর জার্নিটা আসলে এক বছরের। এক বছরে আমি একটি পয়সাও ওজন কমানোর পেছনে খরচ করিনি। আমার বাড়িতে প্রতিদিন যে স্বাভাবিক খাবার রান্না হয়, সেখান থেকে পরিমিত খাবার খেয়েছি। সপ্তাহে এক দিন পোলাও অথবা তেহারি খাই। খুব ভালো লাগে। পছন্দের খাবার।

‘একবেলা এসব খাবার খেলেও বাকি দুই বেলা রুটিনের খাবারই থাকে। আর আমি আমার বাসার শোবারঘর থেকে ড্রয়িংরুম পর্যন্ত প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা হাঁটতাম। রাতে এক ঘণ্টা ইয়োগা করি। রাত ১২টা কিংবা ১টার মধ্যে ঘুমিয়ে যাই, কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাই।’

‘গত ১০ বছরে এসব পারিনি। আমার কাছে পৃথিবীর একদম সহজ উপায়। সহজ কাজটা গত এক বছর ধরে করতে পেরেছি। ৩৯ কেজি ওজন কমাতে পেরেছি’, বলেন রুনা।

অমিতাভ রেজার নির্মাণে একটি টেলিকমের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে পরিচিতি পান রুনা খান।
ইউডি/এ

