অপরাধী চিহ্নিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা জরুরি: ডেপুটি স্পিকার

অপরাধী চিহ্নিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা জরুরি: ডেপুটি স্পিকার

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১৮:৩০

অপরাধী চিহ্নিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা খুবই জরুরি ও অত্যাবশ্যক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু। তিনি বলেছেন, ক্লুলেস ঘটনার সত্য উদঘাটনে সাংবাদিকদের ভূমিকা খুবই জরুরি ও অত্যাবশ্যক। তাদের গতানুগতিক রিপোর্ট করলে চলবে না। ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার (০৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুল হক টুকু বলেন, প্রত্যেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে কেউ কারও দিকে আঙুল তুলতে পারবে না। বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিটি শ্রেণি পেশার মানুষের নেতৃত্ব ও জনসাধারণের ভূমিকা অপরিসীম ও অতুলনীয়।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ক্রিমিনালরা বিভিন্নভাবে তাদের অপরাধের কৌশল প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করছে। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সক্ষমতার ভালো পর্যায়ে আছে। এরপরও অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকদের বিভিন্ন ট্রেনিং-এর মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করলে জাতি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানে ক্র্যাব-২০২২ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তরা হলেন- সমকালের সাহাদাত হোসেন পরশ, ডেইলি স্টারের জামিল খান, দৈনিক বাংলার নুরুজ্জামান লাবু, ঢাকা পোস্টের আদনান রহমান, প্রথম আলোর নূরুল আমিন জাহাঙ্গীর ও মাছরাঙার আবু জাহেদ মুহা. সেলিম।

অনুষ্ঠানে ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক (ক্র্যাব) আসাদুজ্জামান বিকু ও র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন-অর রশিদ বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিক একে অপরের পরিপূরক। পুলিশ যেভাবে জীবন বাজি রেখে কাজ করে; ঠিক সেইভাবে সাংবাদিকেরাও জীবন বাজি রেখে কাজ করেন। পুলিশ ও সাংবাদিক কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বাস্তব উদাহরণ হলো ২০১৬ সালে হলি আর্টিসানের জঙ্গি হামলার পর পুলিশের সঙ্গে সাংবাদিকেরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। শুধু তাই নয়, করোনা মহামারির সময় যখন সবাই ঘরের মধ্যে, ঠিক তখন পুলিশ-সাংবাদিকরা বাইরে থেকে দেশের জন্য কাজ করে গেছেন। এ সময় অনেক পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারাও গেছেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ একটা জায়গায় এসেছে জানিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা ২০৪১ সালে একটি স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। আর সেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে আমাদের চ্যালেঞ্জ বেড়ে গেছে। তবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading