পোশাক খাতে বিদেশি জনশক্তি আর প্রয়োজন হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১৬:৩০
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পে মিড লেভেলে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ম্যানেজার তৈরি হয়েছে। কর্ম ক্ষেত্রে তারা বেশ ভালো কাজ করছে। দীর্ঘদিন বিদেশি জনবল দিয়ে আমরা এ কাজ করিয়েছি। এখন দেশেই পর্যাপ্ত দক্ষ জনশক্তি তৈরি হচ্ছে। এখন আর বিদেশি ম্যানেজারদের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) কাজ করছে।
গত বৃহস্পতিবার বিইউএফটি-ইপিবি পিজিডি প্রোগ্রাম ফর মিড লেভেল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে অরিয়েন্টেশন এবং সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষ জনশক্তিই একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মূল চালিকা শক্তি। তৈরি পোশাক খাতে বিদেশি জনশক্তির ওপর নির্ভরশীলতা কমানোই আমাদের উদ্দেশ্য। এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দক্ষ জনশক্তি তৈরির এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমাদের তৈরি জনশক্তি দেশের চাহিদা পূরণ করবে। এসব দক্ষ জনশক্তিকে আমাদের শিল্প প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করে বাংলাদেশের পোশাক খাত পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহৎ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে আমাদের রপ্তানির প্রায় ৮২ ভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
তিনি বইলেন, একসময় আমাদের তৈরি পোশাক খাতের ম্যানেজমেন্ট লেভেলে শুধু বিদেশি জনশক্তিই কাজ করতো। এখন আমাদের দেশের অনেক দক্ষ জনশক্তি তৈরি হচ্ছে। পেশাগত কাজে তারা বেশ দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। সে কারণে বিদেশি কর্মীর সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা সম্ভব হলে আমাদের আর বিদেশি জনশক্তির প্রয়োজন হবে না। সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে।
বিইউএফটি’র বোর্ড অব ট্রাস্টি’র চেয়ারম্যান মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিজিএমই’র প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আব্দুর রহিম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিইউএফটি’র ভিসি প্রফেসর ড. এস এম মাহফুজুর রহমান, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান প্রমুখ।
ইউডি/কেএস

