প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর, উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মীরা
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১১:১৫
রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসমাবেশ শুরু হওয়ার অনেক আগেই নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সমাবেশ শুরু হবে বেলা দুইটায়। কিন্তু সকাল ৭টা থেকেই দলীয় নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসতে দেখা গেছে।
রাজশাহীর পবা উপজেলা থেকে এসেছেন নিয়ামত উল্লাহ নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী।
সকাল সাড়ে সাতটায় তাকে ফায়ার সার্ভিস মোড়ে মাদ্রাসা মাঠে ঢোকার এক নম্বর গেটের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এত সকালে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখার জন্য সারারাত না ঘুমিয়েই পার করেছেন। তার বক্তব্য শোনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তিনি।
শুধু নিয়ামত উল্লাহ-ই নন, কাটাখালি থেকে এসেছেন দিবা নামের এক নারী নেত্রী। ভিড় এড়িয়ে সমাবেশের সামনে বসতেই এত সকালে আশা তার।
সাধারণ নেতাকর্মীদের জন্য ঈদগাঁ মাঠের পাশে এবং ফায়ার সার্ভিসের পাশে দুটি গেট রাখা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে এই গেটগুলো দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করছেন তারা। বেলা যত বাড়ছে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মী সংখ্যাও তত বাড়ছে।
তবে ভেতরে প্রবেশ করতে বাধ সাধছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সঙ্গে নেওয়া যাচ্ছে না কোনো ধরনের ব্যাগ, পানির বোতল, লোহা কিংবা ইস্পাত দিয়ে তৈরি কোন ধরনের যন্ত্রাংশ। ফলে অনেকেই সঙ্গে থাকা ব্যাগ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। যদিও নারীদের জন্য রয়েছে আলাদা গেট।
মাঠের পশ্চিম পাশে প্রবেশের ব্যবস্থা রয়েছে ভিআইপি এবং মিডিয়া কর্মীদের। তুলনামূলক সেদিকটাতে ভিড় বেলা ১১ টা পর্যন্ত কম। তবে যারাই এসে মাঠে প্রবেশ করছেন, সমাবেশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাঠ থেকে তারা বের হতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা রক্ষার বাইরে থাকা সদস্যরা।
বেলা সাড়ে ১০টা থেকে সমাবেশস্থলের মাইকগুলো সচল হয়ে যায়। স্থানীয় নেতারা সমাবেশে আশা কর্মীদের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করছেন।
এছাড়াও সমাবেশের বাইরে যারা থাকবেন, বক্তব্য দেখা এবং শোনার সুবিধার্থে নগরীর অন্তত ছয়টি জায়গায় তাদের জন্য ডিজিটাল বিগ স্ক্রিনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
পুলিশ একাডেমীর অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থলে প্রবেশের কথা রয়েছে বেলা ২ টায়।
ইউডি/এ

