ইন্ডিয়াকে অত্যাধুনিক হেলফায়ার-টর্পেডো দিচ্ছে আমেরিকা

ইন্ডিয়াকে অত্যাধুনিক হেলফায়ার-টর্পেডো দিচ্ছে আমেরিকা

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৩ । আপডেট ১৯:০৫

দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ও অংশীদার ভারতকে অত্যাধুনিক ম্যাকাব্রে হেলফায়ার আরএনএক্স ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী মার্ক ৫৪ অ্যান্টি সাবমেরিন টর্পেডো দিচ্ছে আমেরিকার। আমেরিকার সঙ্গে ইন্ডিয়ার ৩০ কোটি ডলারের (ইন্ডিয়ার মুদ্রায় ৩৭ হাজার ৬০০ কোটি রুপি) যে অস্ত্র ক্রয় চুক্তি হয়েছে, তার আওতায়তেই এসব অস্ত্র পাচ্ছে ইন্ডিয়া।

২০২০ সালে আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তি করেছিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত নৌবাহিনীকে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করতেই করা হয়েছিল এই চুক্তি। ম্যাকাব্রে হেলফায়ার আরএনএক্স এবং মার্ক ৫৪ অ্যান্টি সাবমেরিন টর্পেডো ছাড়াও কয়েকটি এমএইচ ৬০ রোমিও হেলিকপ্টারও কিনছে ভারত।

আমেরিকার তৈরি সবচেয়ে আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় ম্যাকাব্রে হেলফায়ার আরএনএক্সকে, যেটি সংক্ষেপে হেলফায়ার নামে পরিচিত। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আলকায়দার সাবেক প্রধান আইমান আল জাওয়াহিরি এবং ইরানের সেনা কর্মকর্তা কাশেম সোলায়মানিকে হত্যা করতে আমেরিকার ব্যবহার করেছিল এই ‘গোপন অস্ত্র’।

২০২২ সালের আগস্টে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে আমেরিকার সেনাবাহিনীর প্রিডেটর ড্রোন থেকে ছোড়া হেলফায়ার ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল জাওয়াহিরিকে। ‘নিনজা বোমা’ নামে পরিচিতি পাওয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য হল লক্ষ্যবস্তুকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে, কিন্তু জোরালো কোনও বিস্ফোরণ হবে না। ক্ষতি হবে না ‘মূল লক্ষ্যের’ আশপাশের বাড়িঘর এবং মানুষজনের।

জাওয়াহিরি, সোলায়মানি ছাড়াও পশ্চিম এশিয়ায় আল কায়দার অন্যতম শীর্ষনেতা আবু আল-খায়ের আল-মাসরিকে হত্যা করতেও ধারালো ব্লেডযুক্ত এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল পেন্টাগন।

আর আমেরিকা ভিত্তিক অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী কোম্পানি লকহেড মার্টিনের তৈরি মার্ক ৫৪ অ্যান্টি সাবমেরিন টর্নেডোও বেশ জনপ্রিয় যুদ্ধাস্ত্র। এই টর্পেডো

আমেরিকার সংস্থা লকহিড মার্টিনের তৈরি রোমিয়ো হেলিকপ্টার সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা শত্রু সাবমেরিন চিহ্নিত এবং ধ্বংস করায় পারদর্শী। সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা শত্রু ডুবোজাহাজ চিহ্নিত এবং ধ্বংস করায় পারদর্শী।

এমএইচ ৬০ রোমিও হেলিকপ্টারেরও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এই লকহেড মার্টিন। মূলত নৌবাহিনীর জন্যই তৈরি করা হয়েছে এই হেলিকপ্টার। শত্রু যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা এবং সমুদ্রের বুকে নজরদারি, তল্লাশি এবং উদ্ধারকার্য চালাতেও অত্যন্ত দক্ষ এমএইচ ৬০ রোমিও। ভূমি বা বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি, অপেক্ষাকৃত ছোট ক্রুজার এবং ডেস্ট্রয়ার জাতীয় রণতরী থেকেও ওঠানামা করতে পারে রোমিয়ো।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading