৫ শর্তে উপমহাদেশীয় চলচ্চিত্র আমদানির অনুমোদন
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩ । আপডেট ১৫:৩০
সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শর্তসাপেক্ষে হিন্দিসহ উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানির অনুমোদন দিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন চলচ্চিত্র শাখার উপসচিব সাইফুল ইসলাম।
অফিস আদেশে বলা হয়, উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানি সংক্রান্ত সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়। সেখান থেকে ইতিবাচক মতামত পাওয়ার পর আমদানি নীতি আদেশ ২০২১০২০২৪ এর ২৫ (৩৬) (গ) উপ-অনুচ্ছেদের শর্ত প্রতিপালনপূর্বক বাংলাদেশি চলচ্চিত্র রফতানির বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (সাফটা) দেশগুলো থেকে উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানি করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রথম হিন্দি ওয়েব সিরিজেই প্রসেনজিৎতের চমক
তবে আমদানির ক্ষেত্রে পাঁচটি শর্তারোপ করা হয়েছে। শর্তগুলো হলো: শুধু বাংলাদেশের বৈধ চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশকরা উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানি করার সুযোগ পাবেন; উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র সাব-টাইটেলসহ পরীক্ষামূলক শুধু দুই বছরের জন্য রফতানির বিপরীতে আমদানি করার সুযোগ থাকবে; প্রথম বছর ১০টি চলচ্চিত্র রফতানির বিপরীতে আমদানি করতে পারবে; আমদানিকৃত উপমহাদেশীয় ভাষার চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আগে অবশ্যই বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সনদ গ্রহণ করতে হবে এবং বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা, দুর্গা পূজার সপ্তাহে উপমহাদেশীয় ভাষার কোনো চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা যাবে না।
প্রথম আলো আওয়ামী লীগের, গণতন্ত্রের, দেশের মানুষের ‘শত্রু’: প্রধানমন্ত্রী
এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কিছু শর্ত জুড়ে দিয়ে দেশে ইন্ডিয়ান ছবি আমদানিতে সম্মত হয়েছে সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদ। আপনারা সবাই একমত হয়ে নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে ইন্ডিয়ান হিন্দি ছবি আমদানির ব্যাপারে একমত হয়েছেন। অতীতে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আমার কাছে দাবি করা হয়েছিল ইন্ডিয়ান হিন্দি ছবি আমদানি করার জন্য। এটা আমি বারবার বলে এসেছি যে, সব সমিতি যদি একমত হয় (তাহলে বাস্তবায়ন সম্ভব), না হলে সেক্ষেত্রে আমরা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব না।’
‘কারণ অতীতে দেখা গেছে এ রকম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল; পরে শিল্পী সমিতি আপত্তি জানিয়েছিল। অনেক শিল্পীও আপত্তি জানিয়েছিলেন। সবাই একমত হলে পরে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব বলে সেটি বলেছিলাম। আপনারা একমত হয়েছেন, সবাই স্বাক্ষর করেছেন। একমত হওয়ার জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই’, যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী।
কীভাবে আমেরিকায় জন্ম নিয়েছিল ‘ব্রা পোড়ানো’ আন্দোলন?
তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশে সিনেমা আগের তুলনায় ভালো হচ্ছে। অনেক সিনেমা বক্স অফিস হিট করছে; কিন্তু এখনও প্রতি সপ্তাহে ভালোভাবে চালানোর মতো সিনেমা সব সময় হচ্ছে না, এটি বাস্তবতা।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা ভেবেচিন্তে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন যে নির্দিষ্ট সংখ্যক হিন্দি ছবি যদি আমদানি হয় তাহলে অনেকে আবার হলমুখী হবে এবং বাংলা ছবি বা আমাদের ছবিও দেখতে যাবে।’
৫০ বছর বয়সে শিক্ষকতা ছেড়ে অন্তর্বাসের মডেল!
ইউডি/এ

