৮ দিনের রিমান্ডে ইমরান খান
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১০ মে ২০২৩ । আপডেট ১৮:২০
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পুলিশের সদর দপ্তরে একটি বিশেষ আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। দুর্নীতির তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানা গেছে। খবর পাকিস্তান টুডে’র।
এর আগে আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় মঙ্গলবার গ্রেপ্তার ইমরানের ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে বুধবার (১০ মে) আদালতে আবেদন করে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো (এনএবি)।
পিটিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি ফাওয়াদ চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টে খানের গ্রেপ্তারকে চ্যালেঞ্জ করে একটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন। বুধবার শুনানির শুরুতে এনএবি ১৪ দিনের রিমান্ড চাইলে পিটিআইয়ের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করেন।
আদালতসূত্র জিও নিউজকে জানিয়েছেন, শুনানির আগে আইনজীবীদের সঙ্গে ইমরানকে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। শুনানির বিরতির সময় আইনজীবী খাজা হারিস, ফয়সাল চৌধুরী, আলী গোহর ও আলী বুখারির সঙ্গে আলোচনা করেন ইমরান।
শুনানির সময় বিশেষ প্রসিকিউটর রাফায়ে মাকসুদ, ডেপুটি প্রসিকিউটর মুজাফফর আব্বাসি, প্রসিকিউটর সরদার জুলকারনাইন এবং তদন্ত কর্মকর্তা মিয়া উমর নাদিমসহ দুর্নীতিবিরোধী নজরদারির একাধিক কর্মকর্তা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এনএবি প্রসিকিউটর অতিরিক্ত দায়রা জজ মোহাম্মদ বশিরকে জানান, খানকে গ্রেপ্তারের সময় ওয়ারেন্ট দেখানো হয়েছিল। তবে পিটিআই-প্রধান এ দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি এনএবি অফিসে পৌঁছানোর পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখেছেন। আব্বাসি বিচারককে আশ্বস্ত করেছেন, পিটিআই-প্রধানের আইনজীবীদের প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি সরবরাহ করা হবে।
বিরতির পর শুনানি শুরু হলে খাজা হারিস খানের গ্রেপ্তারের বৈধতা নিয়ে যুক্তি দেন। কিন্তু সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সব লেনদেন হয়েছে।
মঙ্গলবারের ঘটনা স্মরণ করে খান বিচারকদের কাছে তার ডাক্তারদের দলকে, বিশেষ করে ডাক্তার ফয়সালকে তলব করার আহ্বান জানান।
ইউডি/এ

