তুরস্কের বহুল আলোচিত নির্বাচন আজ: নব্য-সুলতানের ভাগ্য লড়াই

তুরস্কের বহুল আলোচিত নির্বাচন আজ: নব্য-সুলতানের ভাগ্য লড়াই

উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১৪ মে ২০২৩ । আপডেট ১৩:৪০

আজ রবিবার (১৪ মে) তুরস্কের বহুল প্রতিক্ষীত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার পারদ চরমে। বলা হচ্ছে, দুই দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা ‘নব্য-সুলতান’ রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথম সবচেয়ে কঠিন এক নির্বাচনী পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছেন। এরদোয়ানকে এবার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন ‘তুরস্কের গান্ধী’ খ্যাত কামাল কিলিচদারোগ্লু। তাতে এরদোয়ানের ভাগ্য কোন দিকে যাচ্ছে, এ নিয়ে মিলন গাজী’র প্রতিবেদন

দুই দশকের রাজত্বে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে এরদোয়ান

টানটান উত্তেজনায় আজ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তুরস্কের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন জনগনের হাতেই। জনগন টানা দুই দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা এরদোয়ানকেই বেছে নেবে নাকি নতুনত্ব খুঁজবে জনগন এমন প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক মহলে। এরদোয়ানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বিরোধী জোটের প্রার্থী কামাল কিলিচদারোগ্লু। ছয়টি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত জোট ‘টেবিল এবং সিক্সের’ প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি। আরও কিছু সরকারবিরোধী গ্রুপও তার প্রতি সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছে। এ কারণেই মূলত ৭৪ বছর বয়সী সাবেক এই সরকারি কর্মকর্তা এরদোয়ানের জন্য বড় ধরনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছেন। এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট চারজন প্রার্থী লড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু মধ্য-বামপন্থী ও জাতীয়তাবাদী মুহাররাম ইঞ্জে দু’দিন আগেই তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী সিনান ওয়ান থাকছেন তৃতীয় পদপ্রার্থী। এরদোয়ানের জোট ন্যাশনাল অ্যালায়েন্সে ছয়টি দল রয়েছে। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) নেতৃত্বে রয়েছেন। এরদোয়ানের চেয়ে এখনো সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন কামাল। তবে অনেকের ধারণা, প্রথম পর্বের কেউই পর্যাপ্ত ভোট পাবেন না। ২৮ মে দ্বিতীয় পর্বের ভোটে যাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।

রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান

এই নির্বাচনে এরদোয়ানের রাজনৈতিক ভাগ্য নতুন করে লেখা হবে। জিতলে তুরস্কের ইতিহাসে নতুন উচ্চতায় চলে যাবেন আর হারলে কারাবাস, মৃত্যুদণ্ড অনেক কিছুই হতে পারে। সম্প্রতি ইস্তাম্বুলে ১৭ লাখ মানুষের সমাবেশ করেছেন এরদোয়ান। এই সমাবেশকে গত ১০০ বছরের মধ্যে তুরস্কের সব থেকে বড় সমাবেশ বলা হচ্ছে। পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, বিশাল জনসমাবেশ নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। জনসমাগমের পাশাপাশি এরদোয়ান চেষ্টা করেছেন অর্থনৈতিক দুরাবস্থার মধ্যে বিভিন্ন সুবিধা বাড়িয়ে ভোটারদের কাছে টানতে। এরদোয়ানের ক্ষমতার প্রথম দিকে শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় ছিল। তিনি বিশাল নির্মাণ প্রকল্পগুলোর জন্যও জনপ্রিয় ছিলেন।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার সরকার গোঁড়া অর্থনৈতিক নীতি পরিত্যাগ করেছে। তুরস্ক ধীরে ধীরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করেছে। সুদের হার কমিয়ে আনায় দেশে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। ২০ বছরেরও বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার পর প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের এবারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি একটি শক্তিশালী, বহুপাক্ষিক তুরস্ক গঠন ও ৬০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করা। তিন মাস আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্কে ভ‚মিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কাহরামানমারাস। ওই ভ‚মিকম্পে শুধু তুরস্কে প্রায় ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই কাহরামানমারাস হচ্ছে ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) শক্ত ঘাঁটি। এই প্রদেশের আটটি সংসদীয় আসনের সাতটিই একে পার্টি ও তাদের মিত্র ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টির (এমএইচপি) দখলে। এই এলাকার বেশির ভাগ মানুষের মুখে সেই বিপর্যয়ের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে এমন আর্তনাদ শোনা যায়। তখন সময়মতো মানুষের সহায়তায় এগিয়ে না আসায় সবাই মোটামুটি রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সরকারকে দায়ী করে থাকেন। ভবনের ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে তখন অনেক মানুষকে বারবার বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘কোথায় রাষ্ট্র?

তবে ভূমিকম্পে সরকারের পদক্ষেপের পর এই অঞ্চলের মানুষ বর্তমান প্রেসিডেন্টকে সমর্থন করবেন, এমন আশা কেউ করেন না। তবে এসকল অঞ্চলের মানুষের অভিমত আমরা ভ‚মিকম্পে ১১টি শহর হারিয়েছি। আমি মনে করি, তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি আবার এসব শহর গড়ে তুলতে পারবেন। ভূমিকম্প উপদ্রব ১১টি অঞ্চলের মানুষের উপলব্ধি, দৃষ্টিভঙ্গি অনেকটা একই রকম।

এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ‘তুরস্কের গান্ধী’ কেন এত আলোচনায়?

এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী‘তুরস্কের গান্ধী’ খ্যাত কামাল কিলিচদারোগ্লু। তিনি ন্যাটো সদস্যভুক্ত তুরস্ককে আরও পশ্চিমাপন্থি আর গণতান্ত্রিক অবস্থানের দিকে ফিরিয়ে আনতে চান। দেশে সংসদীয় ও প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনা আর স্বাধীন আদালত ও একটি উন্মুক্ত গণমাধ্যম ব্যবস্থা গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। কিলিচদারোগ্লু ও তার জোট নেতারা আশ্বাস দিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট পদ ও সংসদে জয়ী হলে তুরস্কের অর্থনীতিকে তিনি অর্থোডক্স অর্থনৈতিক নীতিতে প্রত্যাবর্তন করবেন। একটি স্বাধীন কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, তিনি ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতি ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনবেন যা পরে আরও কমতে থাকবে।

কামাল কিলিচদারোগ্লু

কিন্তু বিভিন্ন জরিপের আভাস হচ্ছে, এরদোয়ানের শক্ত অবস্থান ভেঙে এবার কামাল বেরিয়ে আসতে পারেন। শেষ মুহূর্তে রিপাবলিকান পিপলস পার্টির গতবারের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মুহাররেম ইঞ্চের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে সুবিধা পেতে পারেন কামাল। কিন্তু তার ভোটররা কামালকে ভোট না-ও দিতে পারেন। কারণ, কামালের সঙ্গে কুর্দিশ রাজনৈতিক পিকেকের সঙ্গে সখ্য রয়েছে। অনানুষ্ঠানিকভাবে কুর্দি দল হেদেপে কামালের জোটেই রয়েছে। পিকেকের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অভিযোগে এই দলের প্রধান সালাউদ্দিন দেমিরতেস জেলে আছেন। এরদোয়ান ক্ষমতায় থাকলে দেমিরতেসের মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাই পিকেকের সমর্থকেরা কামালকে ভোট দিতে পারেন। আবার কামাল পিকেকের ভোট পাচ্ছেন বা পিকেকের সঙ্গে সখ্য রয়েছে, তা প্রমাণ করতে পারলে তুর্কিরা খেপে যাবেন। ইনচে নিজেই কুর্দি বা পিকেকেবিরোধী বলে পরিচিত। ফলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও কামাল ইনচের সব সমর্থকের ভোট পাবেন না। রাজনৈতিক মেরুকরণ আর আসন্ন নির্বাচনে ভ‚মিকম্পের প্রভাব যে কিছুটা পড়েছে, তা ইতিমধ্যে টের পাওয়া যাচ্ছে।

আঙ্কারা ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ সরকার সমর্থক দাবি করছেন, ভ‚মিকম্পের পর সরকারের পদক্ষেপ যথাযথ ছিল। আবার সরকারবিরোধী ৯০ শতাংশ বলছেন, সরকার ব্যর্থ। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো যথারীতি বলছে, রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান আমলের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। কম-বেশি সব কটি পশ্চিমা গণমাধ্যমের আভাস হচ্ছে, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড জাস্টিস পার্টির এরদোয়ানকে হারিয়ে দিতে পারেন রিপাবলিকান পিপলস পার্টির নেতা কামাল কিলিচদারোগলু।এরদোয়ানের পরাজয় বা ক্ষমতা থেকে নির্বাসন পশ্চিমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। তবে এর আগে কোনো নির্বাচনে এরদোয়ান হারেননি, কিন্তু এবার পাহাড়সম চাপ নিয়ে নির্বাচনে লড়তে হচ্ছে তাকে।

তুরুপের তাস আমেরিকায় নির্বাসিত ফেতুল্লা গুলেন?

তুরস্কের এবারের নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারেন আমেরিকা প্রবাসী ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লা গুলেন। এরদোয়ানের এক সময়ের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ এই ধর্মীয় নেতা তুরস্কের প্রশাসনিক কাঠামো ও কর্মকর্তাদের কাছে বড় এক নাম। আমেরিকায় অবস্থান করলেও নিজের দেশে এখনও তার প্রভাব অনেক। আর এবারের নির্বাচনে তার নজর কার দিকে সেটা নিয়ে কৌত‚হল ব্যাপক। যেহেতু পশ্চিমাদের থেকে তুরস্ককে দূরে রাখতে মরিয়া এরদোয়ান, অন্যদিকে কামাল কিলিচদারোগ্লু পশ্চিমাপন্থি সেহেতু ধারণা করা হচ্ছে ফেতুল্লা গুলেনের দৃষ্টি পরতে পারে কামালের দিকেই।

ফেতুল্লা গুলেন

কেননা, এরদোয়ানের সঙ্গে ফেতুল্লা গুলেনের সম্পর্ক আদায় কাচকলায়। তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থানের পেছনে গুলেনকেই বরাবরের মত দায়ী করে আসছেন এরদোয়ান। যদিও গুলেন এ অভিযোগ সবসময়ই অস্বীকার করেছেন। এক সময় ‘উদারনৈতিক ইসলামী চিন্তাবিদ’ হিসেবে পরিচিত গুলেনের আদর্শেই তুরস্ককে গড়ে তোলার ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান। এরদোয়ানের একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফেতুল্লা গুলেন একজন ইসলামপ্রচারক। তিনি এখন থাকেন আমেরিকার পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের পোকোনো পার্বত্য এলাকার একটি ছোট শহরে। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি সেখানে আছেন। নিজ দেশ তুরস্কে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই সেখানে বসবাস।

তুরস্কের তেপাভ থিংক ট্যাংকের সদস্য সেলিম কোরু বলেন, নির্বাচনে এরদোগান জয়ী হলে খুব বেশি পরিবর্তন আসবে না তুরস্কে। কারণ তার ক্ষমতা ইতোমধ্যে এত বিস্তৃত যে তিনি সেগুলোকে আরও বাড়ানোর চেষ্টা করবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, ক্ষমতায় থাকলে এরদোয়ান ন্যাটো ত্যাগ করবেন না তবে তিনি তুরস্ককে পশ্চিম থেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন। কিন্তু কিলিচদারোগ্লু প্রেসিডেন্ট ব্যবস্থাকে বাতিল করতে চান। আর রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছাড়াই একজন ‘নিরপেক্ষ’ নেতা হতে চান।

ট্রামকার্ড ফার্স্ট-টাইম ভোটার ও নারী

এবারের নির্বাচনে যারা ভোট দিচ্ছেন তাদের আট শতাংশ ‘ফার্স্ট-টাইম ভোটার’ যারা প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন। ৬ কোটি ৪০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৫০ লাখই নতুন। অনেকে মনে করেন তুরস্কে যেসব গ্রæপ এখনও মনস্থির করেন নি যে তারা কাকে ভোট দেবেন, তাদের মধ্যে এইগ্রুপটি সবচেয়ে বড়। তাদের নজর যে দিকে যাবে পাল্লাটা সেই দিকেই ভারী হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকগণ। এছাড়াও এবারের নির্বাচনে নারী ভোটাররা কাকে ভোট দেবেন সেটাও জয় পরাজয় নির্ধারণে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তুরস্কে মোট ভোটারের ৫০.৬% নারী।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ১৪ মে ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা

ধারণা করা হয় যে দেশটির রক্ষণশীল নারীরা দুই দশক আগে এরদোয়ানকে ভোট দিয়েছিলেন, যে কারণে তিনি ক্ষমতায় আসতে পেরেছিলেন। কিন্তু সেই সমর্থন এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে। পারিবারিক নির্যাতনের হাত থেকে নারীকে রক্ষা করার জন্যে যে আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়েছিল সেই ইস্তাম্বুল সনদে তুরস্ক সই করেনি। একারণে তিনি বহু নারীর সমর্থন হারিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নারীরা বিক্ষোভেও অংশ নিয়েছিল। অতীতে এরদোয়ান যেসব নারী এখনও মা হননি তাদেরকে তিনি “অর্ধেক নারী” বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি একজন নারীকে অন্তত তিনটি সন্তান নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান আরো বলেছিলেন যে নারী ও পুরুষকে সমান চোখে দেখা সম্ভব নয়। নারীবাদী আন্দোলনের সাথে যুক্ত গুলসুম কাভ বলছেন বর্তমান সরকার নারী পুরুষের মধ্যে সাম্য প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করে না। তিনি বলেন এরদোয়ানের শাসনামলে নারী স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী ভোটারদের ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পেলে দুই সপ্তাহ পর দ্বিতীয় রাউন্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর আজকের নির্বাচনে কেউ যদি অর্ধেকের বেশি ভোট পান তাহলে তিনিই সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।

ইউডি/এজেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading