দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার দাবি: এশিয়া কাপ পাকিস্তানে নয়, শ্রীলঙ্কায়!
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০১ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৫:৫৫
আইপিএল ফাইনালের পর এশিয়া কাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আভাস দিয়েছিলেন বিসিসিআই সদস্য সচিব ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি জয় শাহ। যদিও এখনো অফিসিয়ালি কিছু জানানো হয়নি। তবে ইন্ডিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের দাবি, ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে এসিসি। পাকিস্তান থেকে এশিয়া কাপ সরে যাচ্ছে বলেই খবর।
গণমাধ্যমটি বলছে, পাকিস্তানের প্রস্তাবিত হাইব্রিড মডেল একবাক্যে খারিজ করে দিয়েছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে একমাত্র শ্রীলঙ্কাতেই এশিয়া কাপ আয়োজন হতে পারে। দ্বীপরাষ্ট্রটি এশিয়া কাপ আয়োজনে প্রস্তুত আছে বলেও জানিয়েছিল তারা।
সূত্র মারফত জানা গেছে, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে খেলতে রাজি হয়েছে এশিয়ার প্রতিটি দলই। একমাত্র আপত্তি ছিল পাকিস্তানের। যেহেতু ইন্ডিয়াসহ চারটি দেশ শ্রীলঙ্কায় খেলতে চায়, ফলে এশিয়া কাপ আয়োজনের দায়িত্বে দ্বীপরাষ্ট্রের নাম প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। পাকিস্তান চাইলে শ্রীলঙ্কায় গিয়ে টুর্নামেন্ট খেলতেই পারে বলেই জানা গেছে। তবে পাক বোর্ড সাফ জানিয়েছিল এশিয়া কাপ আয়োজন করতে না পারলে তারা টুর্নামেন্টে খেলবে না। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়েও অনিশ্চয়তা থাকছে। পিসিবি আগেই জানিয়েছিল, ভারত যদি তাদের দেশে খেলতে না আসে তাহলে ইন্ডিয়ায়ও দল পাঠাবে না পাকিস্তান। এশিয়া কাপ আয়োজন করতে না পারলে বিশ্বকাপও বয়কট করবে পাকিস্তান, সেই সম্ভাবনাই প্রবল।
একদিন আগেই ‘ক্রিকেট পাকিস্তান’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে ইন্ডিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে চায় পাকিস্তান। তবে এ ক্ষেত্রে ‘যদি কিন্তু’ রয়েছে। প্রথমত, যদি দেশটির সরকার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়। এছাড়া পিসিবি এটাও নিশ্চিত হতে চাচ্ছে যে, পাকিস্তান যদি ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেয় সেক্ষেত্রে ভারতকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানে আসতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক দেশ পাকিস্তান।
এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক পাকিস্তান। কিন্তু দেশটিতে সফর করতে চায় না ইন্ডিয়া। এমন পরিস্থিতিতে হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাবনা দিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তাদের দেওয়া দু’টি হাইব্রিড মডেলের মধ্যে একটি ছিল, ইন্ডিয়ার ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যসব ম্যাচগুলো পাকিস্তানের মাটিতে হবে। অন্য বিকল্প ছিলো, গ্রæপ পর্বের প্রথম চারটি ম্যাচ পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় পর্বে ইন্ডিয়ার ম্যাচসহ ফাইনাল হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে।
ইউডি/এজেএস

