ধর্মঘটে বিপাকে জেনিফারের সিনেমা
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০৫ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৫:০০
হলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনয়শিল্পী জেনিফার লোপেজ। তার অভিনীত সিনেমা কিংবা গান দর্শকমনে ঝড় তোলে। এই অভিনেত্রী এখন ব্যস্ত তার আসন্ন সিনেমা ‘আনস্টপেবল’-এর শুটিংয়ে। তবে হলিউডের একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ধর্মঘটের কারণে আচমকা বন্ধ হয়ে গেছে জেনিফারের সিনেমার শুটিং।
সংবাদমাধ্যমটি দাবি করে, আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে গত সপ্তাহের আগ পর্যন্ত শুটিং হচ্ছিল জেনিফারের আনস্টপেবল সিনেমার। কিন্তু গত সপ্তাহে প্রায় ১১ হাজার স্ক্রিপ্ট রাইটার আমেরিকায় ধর্মঘট শুরু করেন। পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক না পাওয়ায় তারা এ ধর্মঘট করছেন। আর এ ঘটনায় সহমত জানিয়েছেন সিনেসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এজন্য আমেরিকায় এখন বেশিরভাগ সিনেমার শুটিং বন্ধ রয়েছে। জেনিফারের আনস্টপেবলেরও জুটেছে একই ভাগ্য। এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে শুটিং।
এ প্রসঙ্গে ছবিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমেরিকান একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘আমরা সব সময় বেতন বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আসছি। সিনেমার রচয়িতাদের পারিশ্রমিক নিয়ে যে নিয়ম, তা পরিবর্তন হওয়া দরকার। আমরা এ আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সিনেমার শুটিং বন্ধ রেখেছি।’
আনস্টপেবল নির্মাণ করছেন অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র সম্পাদক বিলি গোল্ডেনবার্গ। এ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার পরিচালক হিসেবে আবির্ভাব ঘটছে তার। ছবিটিতে সহ-প্রযোজক হিসেবে আছেন জেনিফারের স্বামী বেন অ্যাফ্লেক।
এদিকে সম্প্রতি তারকা দম্পতি জেনিফার লোপেজ এবং বেন অ্যাফ্লেক লস অ্যাঞ্জেলেসের বেভারলি হিলসের কেন্দ্রস্থলে একটি বাড়ি কিনেছেন। দুই বছর ধরে বাড়ি সন্ধানের পর এ জুটি ৬১ মিলিয়নে (৬৫১ কোটি টাকা প্রায়) প্রাসাদটি কিনেছেন বলে জানা গেছে।
পিপল ডটকমের সূত্রানুসারে, ৫.২ একরের বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এ সম্পত্তিটি লোপেজ এবং অ্যাফ্লেকের কেনার আগে পাঁচ বছর ধরে বন্ধ ছিল।
প্রাসাদটির ইতিহাস এর মূল্যের মতোই আকর্ষণীয়। বছরের পর বছর ধরে এটি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে পরিবর্তিত হয়েছে। পূর্ববর্তী মালিকদের মধ্যে এমজিএম স্টুডিওর প্রাক্তন সিইও অ্যালেক্স ইয়েমেনিদজিয়ান এবং বর্তমানে আমেরিকায় দোষী সাব্যস্ত পঞ্জি স্কিমার কার্টিস সোমোজার মালিকানায়ও ছিল প্রাসাদটি। ২০১৬ সালে হাই-এন্ড হাউস ডেভেলপার গালা আশার সম্পত্তিটি অধিগ্রহণ এবং এটিকে আজকের বিলাসবহুল সমসাময়িক প্রাসাদে রূপান্তরিত করেন।
প্রাসাদটির ভেতরে পিকলবল কোর্ট, একটি জিম, একটি বক্সিং রিং, একটি লাউঞ্জ এলাকাসহ একটি বিস্তীর্ণ স্পোর্টস কমপ্লেক্স রয়েছে। প্রাসাদের বাইরের স্থানগুলোও সমানভাবে চিত্তাকর্ষক। একটি সম্পূর্ণ বহিরঙ্গন রান্নাঘর, ১৫৫ ফুট ইনফিনিটি পুলসহ একটি বিনোদন প্যাভিলিয়ন রয়েছে এতে। ৮০টি অতিরিক্ত গাড়ির জন্য অফ-স্ট্রিট পার্কিংসহ প্রাসাদটি দম্পতির ঐশ্বর্যপূর্ণ জীবনযাত্রার জন্য একদম মানানসই বলেই ধারণা করছেন সবাই।
এদিকে বিলাসবহুল এ প্রাসাদ কেনার পাশাপাশি লোপেজ ও অ্যাফ্লেক উভয়েই তাদের আগের বাড়িগুলো বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করেছেন।
ইউডি/কেএস

