কৃষিজাত পণ্যের জন্য বহির্বিশ্বে বাজার খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩ । আপডেট ২১:১৫
বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্যের জন্য বহির্বিশ্বে বাজার খুঁজতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (১৯ জুন) তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন তিনি। সভা শেষে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, আমাদের যে কৃষিজাত পণ্য উৎপন্ন হয়, সেটার জন্য বহির্বিশ্বের বাজার খুঁজতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) দেশগুলোতে যেখানে আমাদের দেশের মানুষ আছেন, তাদের মধ্যেও বাংলাদেশি পণ্য কেনার আগ্রহ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ফল-শাকসবজি কিনতে তারা আগ্রহী। সেজন্য এসব দেশগুলোতে বেশি নজর দিতে বলা হয়েছে।
মাহবুব বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোতে আমাদের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উৎসাহ দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এই খাতে যাতে বেশি আলোকপাত করা হয়, তিনি সেই নির্দেশনা দিয়েছেন। সম্ভাব্য বাজার খুঁজতে নজর দিতে বলেছেন। যাতে এসব দেশ ভালো ক্রেতা হতে পারে। সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প উৎপাদনে সরকারের তরফ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ খাতে যেসব প্রণোদনা ও সহযোগিতা করা হবে, তার একটি প্রস্তাব বা নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। কৃষি ও খাদ্যপণ্যে আমরা বিশেষ সফলতা অর্জন করেছি। এসব পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে যারা উৎপাদনকারী তাদের সুলভমূল্য দেওয়া যাবে। বাজারজাতকরণের সুবিধা ছাড়াও রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করতেও অনেকগুলো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এই নীতিমালায়। প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলেছেন, যে সীমান্তবর্তী নদী দিয়ে যে বালু আসে, সেটা মোটা বালু। সেটা আসতে আসতে চিকন হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে এসব উৎসে যদি ব্লক নির্মাণ করা যায়, তখন এ বালু বেশি কাজে লাগানো যাবে। যা অর্থনৈতিকভাবেই সাশ্রয়ী হবে।
ভূমি নিয়ে প্রতারণায় ৭ বছরের জেল, আইন হচ্ছে: এদিকে, ভূমি নিয়ে প্রতারণা করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে নতুন একটি আইন করার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে সরকার।মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, খসড়া আইনে ভূমির কতগুলো অপরাধকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেসব অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যাতে নাগরিকরা নিজ-নিজ মালিকানাধীন ভূমির ওপর অধিকার নিশ্চিত করতে পারেন।ভ‚মি বিষয়ক প্রতারণা ও জালিয়াতির ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং প্রতিরোধ, দমন ও প্রয়োজনে প্রতিকারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইউডি/এজেএস

