চট্টগ্রাম বন্দরে কমেছে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০৩ জুলাই ২০২৩ । আপডেট ২০:০০
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর ডলার সংকট সৃষ্টির কারণে দেশের আমদানি রফতানি বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। যার প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরেও। ফলে আগের অর্থবছরের চেয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আড়াই লাখ টোয়েন্টি ফুট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট (টিইইউএস) কম কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।
কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কম হলেও সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে ২২টি জাহাজ বেশি ভিড়ায় কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে। একই সঙ্গে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়েও ত্রি-মিলেনিয়ার অবস্থান ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম বন্দর। এনিয়ে চার বছর ধরে এই অবস্থানেই রয়েছে বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং।
সোমবার (৩ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য জানান চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (পরিবহণ) এনামুল করিম।
তিনি বলেন, বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ত্রি-মিলেনিয়ার অবস্থান বজায় রয়েছে। বন্দরে জাহাজের গড় অবস্থানকাল কমেছে। দ্রুত বার্থিং পাচ্ছে এবং বন্দর ত্যাগ করছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩০ লাখ ৭ হাজার ৩৪৪ টিইইউএস। যা গত অর্থবছর থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৪ টিইইউএস কম হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩২ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৮ টিইইউএস।
এর আরও আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরে ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ২৩৬ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল। তবে ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ বেড়েছে ২২টি। ফলে এই অর্থবছরে কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে ১ লাখ সাড়ে ২২ হাজার মেট্রিকটন।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, করোনার ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়। এতে বিশ্বব্যাপী ডলার সংকট দেয়। ফলে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। এতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কম হয়। তবে সক্ষমতা বাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের জাহাজ আসার সংখ্যা বাড়ে। এছাড়া কার্গো হ্যান্ডলিংও বাড়ে।
তিনি বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন ইক্যুইপমেন্ট যুক্ত হয়েছে। ফলে বন্দরের সক্ষমতাও বেড়েছে। এতে বন্দরে জাহাজ আসার সংখ্যা আরও বাড়বে। এই আগ্রগতি ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে চাই আমরা।
ইউডি/কেএস

