মানব পাচার-প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

মানব পাচার-প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০৫ আগস্ট ২০২৩ । আপডেট ১৪:৫০

মানব পাচার এক বৈশ্বিক সমস্যার নাম। বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম নয়। বিদেশে চাকরি দেয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা নিয়ে উধাও, বিদেশে নিয়ে চাকরি না দিয়ে প্রতারণা শুধু নয়, জীবন কেড়ে নেয়ার ঘটনাও অনেক ঘটেছে। মানব পাচারের বিভিন্ন কারণ ও প্রতিরোধে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে আরাফাত রহমান’র প্রতিবেদন

ধারাবাহিকভাবে কমছে অপরাধ শনাক্তের হার

মানব পাচার সংক্রান্ত বৈশ্বিক প্রতিবেদন-২০২২ এ বলা হয়েছে যে করোনা মহামারির কারণে মানব পাচারের ঝুঁকি বেড়েছে। দ্যা গ্লোবাল এ্যাকশন এ্যাগেইনস্ট ট্রাফিকিং ইন পার্সন এ্যান্ড দ্যা স্মাগ্লীং মাইগ্রান্টস-বাংলাদেশ প্রকল্পের অধীনে, ইউএনওডিসি এবং আইওএম প্রতিবেদন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী মানব পাচার অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্তের সংখ্যা ২৭ শতাংশ কমেছে। যেটি দক্ষিণ এশিয়ায় কমেছে ৫৬ শতাংশ। এছাড়াও, নিম্ন ও মাঝারি আয়ের দেশগুলোতে কম শনাক্তকরণের কারণে আগের বছরের তুলনায় ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী মানবপাচার অপরাধ শনাক্ত হওয়ার হার ১১ শতাংশ কমেছে।

আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান এবং বাংলাদেশ ইউএন নেটওয়ার্ক অন মাইগ্রেশন (বিডিইউএনএনএম)-এর সমন্বয়ক আবদুসসাত্তার এসোয়েভ বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য মানব পাচার একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয়। প্রতিবেদনে বলা হয় যে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করা এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষমতা আরও কমেছে। মহামারী চলাকালীন যৌন শোষণের জন্য পাচারের খুব কম ঘটনা শনাক্ত হয়। আর, পাবলিক স্পেস গুলো বন্ধ থাকায় এমনটা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয় যে বিধিনিষেধের কারণে পাচার আরও গোপন হয়েছে এবং ভুক্তভোগীদের অনিরাপদ অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে। যার ফলে পাচারের শিকারদের শনাক্ত করা কঠিন হয়েছে।

মানব পাচার সংক্রান্ত গ্লোবাল রিপোর্ট ২০২২-এ বিশ্ব, আঞ্চলিক এবং জাতীয় পর্যায়ে মানব পাচারের প্রবণতাগুলোর একটি বিশ্লেষণ করা হয়েছে; যা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জও মোকাবেলা ও প্রমাণ-ভিত্তিক কৌশল প্রণয়নে সহায়তা করবে। প্রতিবেদনে, জলবায়ু পরিবর্তন-সম্পর্কিত বিপর্যয় এবং মানব পাচারের মধ্যে যোগসূত্র তুলে ধরা হয়েছে। দুর্যোগ-প্রবণ অঞ্চলে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষকে পাচারকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শিকার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় যেসব কারণ

যেসব বিষয় মানবপাচারের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় তার মধ্যে রয়েছে, অর্থনৈতিক কারণ, অন্তরঙ্গ সঙ্গী যে কিনা মানবপাচারকারী, অভিবাসনের প্রলোভন, শিক্ষা এবং বিদেশি ভাষা জানার অভাব, মানসিক সমস্যা, পারিবারিক সমস্যাযুক্ত পরিবারের সদস্য হওয়া, বাবা-মায়ের যত্ন না পাওয়া শিশু এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতা। ‘ট্রাফিকিং ইন পার্সন্স ইন বাংলাদেশ’ নামে প্রতিবেদনে বলা হয়, যারা মানবপাচারে যুক্ত থাকে, তারা আসলে অন্য কাজের তুলনায় এ কাজে বেশি অর্থ আয় সম্ভব হয় বলে এই অপরাধের সাথে জড়ায়। তাদের হিসাবে, প্রতিটি মানবপাচারের জন্য একজন পাচারকারী ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ পর্যন্ত টাকা আয় করে থাকে যা প্রচলিত পেশার তুলনায় অনেক বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সাথে প্রত্যাবাসনের চুক্তি রয়েছে সেসব দেশ থেকে যাদের ফেরত আনা ব্যক্তিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়। কিন্তু যেসব দেশের সাথে প্রত্যাবাসন চুক্তি নেই সেসব দেশে বাংলাদেশ থেকে কত মানুষ পাচার হয়েছে সে সংক্রান্ত কোন তথ্য এই প্রতিবেদনে নেই। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ভেতরেই অনেকে পাচারের শিকার হয়। এতে বলা হচ্ছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৩০ টি মানবপাচারের ঘটনা জানা গেছে। এছাড়া ২০১৭ সালে ৭৭৮টি এবং ২০১৮ সালে ৫৬১ টি মানবপাচারের ঘটনা জানা যায়।

‘প্রতিটি ঘটনার তদন্ত ও বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর’

মানবপাচার রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মানবপাচার অপরাধকে আমরা কোনোভাবেই সহ্য করব না। সব মানবপাচারকারীকে বিচারের মুখোমুখি করতে চাই। সম্প্রতি বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার গুরুতর একটি অপরাধ। এটা প্রতিরোধে সরকার কাজ করছে। প্রতিটি মানবপাচার ঘটনার তদন্ত ও বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর। এ অপরাধকে আমরা কোনো ভাবেই সহ্য করব না। সব মানবপাচারকারীকে বিচারের মুখোমুখি করতে চাই।

আসাদুজ্জামান খান কামাল

পররাষ্ট্র-সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সরকার একযোগে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে আইএলও প্রোটোকলে আমরা স্বাক্ষর করেছি। মানবপাচার প্রতিরোধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্সে। এটা নিয়ে আমরা কখনও আপস করব না। মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আমেরিকার মানবপাচার বিরোধী প্রতিবেদনে টায়ার-২ পজিশন আমাদের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। মানবপাচার রোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়ে বলা হয়, মানবপাচার কমাতে পাচারকারীদের বিচারের সম্মুখীন করা, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গাদের মানবপাচারের বিষয় তদন্ত বৃদ্ধি এবং সরকার পরিচালিত রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত কিছু নিয়োগ ফি কমানোর বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। একইসঙ্গে সরকার ন্যাশনাল অ্যাডাপটেশন প্ল্যান (এনএপি) ২০২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে এবং বাংলাদেশে মানবপাচারের ওপর প্রথমবারের মতো জাতীয় সমীক্ষা প্রকাশ করেছে।

দেশের তিন বিভাগ থেকে মানব পাচার সবচেয়ে বেশি

জেলা হিসেবে বাংলাদেশের সাতটি জেলায় সবচেয়ে বেশি মানব পাচারের ঘটনা বেশি সনাক্ত করা হয়েছে। এসব জেলা হচ্ছে মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, নড়াইল, ঝিনাইদহ, শরীয়তপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং হবিগঞ্জ। এসব জেলা থেকে প্রতি লাখে দেড় জনের বেশি মানুষ পাচারের শিকার হয়। ঢাকা, খুলনা ও সিলেট অঞ্চলের মানবপাচার চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি পাচার হওয়ার ঘটনা ঘটে খুলনা বিভাগে। বাংলাদেশে ২০২০ সালে যেসব মানবপাচারের ঘটনা সনাক্ত করা গেছে তার বেশিরভাগই ঘটেছে ঢাকা, খুলনা এবং সিলেট বিভাগীয় অঞ্চলে। জাতিসংঘের মানবপাচার বিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের সব এলাকার বাসিন্দারাই মানব পাচারের শিকার হয়। তবে ঢাকা, খুলনা এবং সিলেট- এই তিনটি অঞ্চলের মানুষ বেশি পাচার হওয়ার কিছু কারণ রয়েছে।

যেসব এলাকার সাথে ইন্ডিয়ার সীমান্ত বেশি সেসব এলাকায় মানবপাচারের ঘটনা বেশি ঘটে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয় খুলনা বিভাগের কথা।
এই বিভাগের পশ্চিমাঞ্চলে ইন্ডিয়ার পশ্চিমবঙ্গের সাথে দীর্ঘ স্থল সীমান্ত রয়েছে এবং সেখান থেকে কলকাতাও দূরে নয়। যার কারণে ২০২০ সালে এই এলাকায় সবচেয়ে বেশি মানবপাচারের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে অভিবাসন নিয়ে গবেষণার কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রামরুর পরিচালক মেরিনা সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, যেকোন সীমান্ত এলাকা যেখানে পারাপারটা তুলনামূলক সহজ সেখানে অনিয়মিত অভিবাসনের সাথে সাথে মানবপাচারের বিষয়টিও ঘটে। বাংলাদেশের কিছু এলাকা মানবপাচারের হাব বা পকেট হিসেবে কাজ করে। এসব এলাকায় মানবাপাচারকারী চক্র বেশ সক্রিয় থাকে এবং তারা সেখানকার বাসিন্দাদের নানা ধরণের প্রলোভন দেখিয়ে মানবপাচার করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, যেসব জেলা পকেট হিসেবে কাজ করে সেখানে দেখা যায় যে, অনেক মানুষ আগে থেকেই বিদেশে থাকে এবং তাদের দেখাদেখি অন্যরাও যেতে চায়। এসব এলাকায় সবচেয়ে বেশি মানবপাচারের শিকার হয় নারীরা। উদাহরণ হিসেবে তিনি মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ এবং নরসিংদীর কথা তুলে ধরেন। জাতিসংঘের প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে যে, যেসব কারণে মানব পাচার হয় তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে উন্নত জীবনের আশায় এবং আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রলোভনে। প্রায় ৫১ শতাংশ মানুষ অর্থনৈতিক কারণে পাচারের শিকার হন।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কী বলছে সংস্থাগুলো

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস বলেন, মানবপাচার একটি জঘন্য অপরাধ। অনিয়মিত অভিবাসন কখনই কাম্য নয়। মানবপাচার প্রতিরোধে জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ লিডিং রোলে রয়েছে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গারাও মানবপাচারের শিকার হচ্ছেন। মানবপাচার প্রতিরোধে আরও কার্যকর ভ‚মিকা রাখতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি বলেন, মানবপাচার ভয়াবহ একটি অপরাধ। মানবপাচার প্রতিরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নও নানা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। যৌথভাবে মানবপাচার প্রতিরোধের করতে হবে। ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি মার্কো টেক্সেইরা বলেছেন, অনলাইনে মানব পাচারের নিয়োগ এবং সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে মানব পাচারের মত বিষয়গুলো উঠে এসেছে। মানব পাচারকারীরা আরও প্রযুক্তি-সচেতন হয়ে উঠছে। তবে সফলভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা মানব পাচারকারীদের শনাক্ত, তদন্ত এবং বিচার করতে পারি। প্রতিবেদন অনুসারে, সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় দায়মুক্তির উচ্চমাত্রা দেখা গেছে এই অঞ্চলের দেশগুলোতে পাচারকারীদের দোষী সাব্যস্ত করার সংখ্যা বাকি বিশ্বের তুলনায় কম।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ০৫ আগস্ট ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ

বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে অবৈধ মানব পাচারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছে। মানব পাচার প্রতিরোধে প্রতি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কাউন্টার ট্রাফিকিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনো নাগরিক যাতে অবৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার নামে আত্মহননের পথ বেছে না নেয়, এ জন্য সমাজকে সচেতন হতে হবে। সীমান্ত বা জল-স্থল ও আকাশপথে নজরদারি বাড়াতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মানব পাচার মোকাবিলায় সরকারের প্রধান সংস্থা, যাদের পাচারের শিকার ভিকটিমকে শসনাক্তকরণের জন্য আদর্শ পরিচালনা পদ্ধতি (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি) রয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করছে।

মানব পাচার আইনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। ‘মানব পাচার’ আইনের ৬ ধারা অনুসারে মানব পাচার নিষিদ্ধ করে এর জন্য অনধিক যাবজ্জীবন কারাদø এবং কমপক্ষে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদø এবং কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বিশ্লেষকগণ বলছেন, যতই সচেতনতামূলক প্রচারণা হোক না কেন, জীবিকার মানোন্নয়ন ছাড়া মানব পাচার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার যুবসমাজকে কর্মমুখী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরির কাজ করছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০৪১-এ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে দেশ। ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারলে এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে মানব পাচার।

ইউডি/এজেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading