নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী: আমি জনগণকে মাতৃস্নেহের সঙ্গে দেখি

নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী: আমি জনগণকে মাতৃস্নেহের সঙ্গে দেখি

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ০৯ জানুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ১৫:০০

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এই বিজয়ের পরদিন সোমবার (০৮ জানুয়ারি) ভোট পর্যবেক্ষণে আসা বিদেশিদের সঙ্গে গণভবনে মতবিনিময় করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি বলেন, এই বিজয়টা আমার নয়, আওয়ামী লীগের নয়, জনগণের। আমি জনগণকে মাতৃস্নেহের সঙ্গে দেখি। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের চুম্বক অংশ ও বিষয় নিয়ে মো. শহীদ রানা’র প্রতিবেদন

গণতন্ত্রের জন্য এই নির্বাচন যুগান্তকারী ঘটনা: আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা বলেন, এবারে নির্বাচনে জনগণ যে ভোট দিয়েছে, নির্বাচিত করেছে এবং আমাদের অনেক স্বতন্ত্রও নির্বাচিত হয়েছে। অন্যদলগুলোরও বেশকিছু নির্বাচিত হয়েছে। এই দেশের মানুষ স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে নর্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য সব ব্যবস্থা নিয়েছি। এ বিজয়টা হচ্ছে জনগণের বিজয়। এ বিজয়টা আমার বিজয় না। জনগণের সরকার গঠন করবার অধিকার ও ক্ষমতা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেটা নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছি জনগণের ভোটের অধিকার সেটা তারা নিজেরা প্রয়োগ করবে সেটা সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। ভোট দেখতে আসায় বিদেশিদের ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য এটা অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা। নির্বাচনটা যে অবাধ, সুষ্ঠু হতে পারে সেই দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে পেরেছি। আপনাদের আগমন আমাদের দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের অধিকারটা আরও সুরক্ষিত হয়েছে। আপনারা যার যার দেশে ফিরে যাবেন, বাংলাদেশের কথা বলবেন। আপনাদের আগমন আমাদের গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থাকে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

ভোট নিয়ে আগে এত আগ্রহ দেখিনি: শেখ হাসিনা মনে করেন, ভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি ছিল না। তিনি বলেন, আমি অনেকবারই নির্বাচন করেছি। সেই ১৯৮৬ সাল থেকে আটবারই আমার নির্বাচন করা হয়ে গেছে। তবে এত মানুষের আগ্রহ আগে দেখিনি। আমি মনে করি, বাংলাদেশের জনগণ অনেক আনন্দিত এবং নির্বাচন যারা পর্যবেক্ষণ করেছেন, মতামত দিয়েছেন সেটা উপযোগী। সেই জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াত ও সমমনাদের বর্জনের এই নির্বাচনে কৌতূহল ছিল ভোটার উপস্থিতি কেমন হয়। ভোটের দিন দেখা যায়, যেসব আসনে শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন, সেগুলোতে ভোটের হার তুলনামূলক বেশি, আর যেসব আসনে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না, সেগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ৪১.৮ শতাংশ ভোট পড়ার কথা জানায়, যদিও বিএনপি ও সমমনারা ভোট ‘বর্জন করায়’ দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। ভোট পর্যবেক্ষণে আসা বিদেশিরা এখন পর্যন্ত নেতিবাচক কোনো মন্তব্য করেননি। বরং তাদের পক্ষ থেকে যেসব বক্তব্য এসেছে তাতে আওয়ামী লীগ বেশ আনন্দিতই।

নরেন্দ্র মোদি

বিজয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রীকে মোদির শুভেচ্ছা: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার (০৮ জানুয়ারি) নরেন্দ্র মোদি তার এক্স হ্যান্ডেলে এ বিষয়ে লিখেছেন। নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছি এবং সংসদ নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমি বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই। আমরা বাংলাদেশের সাথে আমাদের স্থায়ী এবং জনকেন্দ্রিক অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরমধ্যে ২২২টি আসন পেয়েছে আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টি হয়েছে ১১টি আসন, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৬২টি আসন, এছাড়া অন্যান্য দল থেকে পেয়েছেন ৩টি আসন।

আমেরিকার সঙ্গে আমাদের সমস্যা নেই: আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে করণীয় নিয়ে মার্কিন একজন পর্যবেক্ষকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এটা এখন আপনাদের সরকারের ওপর নির্ভর করছে।
অপর এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, আমি প্রতিহিংসাপরায়ণ নই। আমি কারও ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করিনি। আমি খোলা মনের ও খুব উদারপšি’ মানুষ। দেশে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রগুলো স্বাধীনভাবে কথা বলতে ও লিখতে পারে। তারা তাদের কাজ করতে পারে, আমি কখনো হস্তক্ষেপ করি না। যখন কেউ সমালোচনা করে তখন তাদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে শোধরানো যায়, আমি এভাবেই দেখি।

ঢাকার সঙ্গে কাজ করবে বেইজিং: ঢাকার চীন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে তার দেশের নেতাদের শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশপাশি একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীন তার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিতে, পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে এবং বাস্তব সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এই প্রতিশ্রæতির মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত করা যায় বলেও এ সময় জানিয়েছেন ওয়ান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চীন-বাংলাদেশ দুই দেশই উন্নয়ন এবং পুনরুজ্জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে আছে বলে উল্লেখ করেছেন ওয়ান।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, আধুনিকায়নের পথে চীন সবসময় বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অংশীদার এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধু হবে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ঢাকা-বেইজিং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মডেল স্থাপন করেছে। স্বাধীনতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখøতা রক্ষাসহ বাইরের হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করার কথাও জানিয়েছে চীন। এছাড়া ঐক্য-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং আন্তর্জাতিক-আঞ্চলিক বিষয়ে আরও সক্রিয় ভ‚মিকা পালনে বাংলাদেশকে চীন সহায়তা করবে। ওয়ান বলেন, ‘ভিশন ২০৪১’ ও ‘সোনার বাংলার’ স্বপ্ন দ্রæত বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চীন প্রতিশ্রুতীবদ্ধ।

রাশিয়া-পাকিস্তানসহ ১১ দেশের শুভেচ্ছা: দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন, ভারত ও রাশিয়াসহ ১১ দেশের রাষ্ট্রদূত। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার সকালে গণভবনে চীন, ভারত ও রাশিয়া ছাড়াও ভুটান, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, ফিলিপিন্স, নেপাল, পাকিস্তান, ব্রাজিল ও মরক্কোর দূতরা শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতি তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা প্রত্যেকেই। জবাবে শেখ হাসিনাও ধন্যবাদ জানিয়ে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ড. ইউনূসের বিষয়টি আদালতের, আমার করার কিছু নেই: আপনার এই বিজয় উদযাপনের অংশ হিসেবে আপনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমা করার কথা বিবেচনা করবেন কি না? এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, শ্রম আদালত তাঁর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। তিনি তাঁর নিজের কোম্পানির যাদের বঞ্চিত করেছেন তারাই মামলা করেছেন। তিনি শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন। এ ব্যাপারে আমার কিছুই করার নেই। তাই তাঁকে ক্ষমা করার প্রশ্ন আমার কাছে আসা উচিত নয়। তাঁর নিজের কোম্পানির কর্মচারীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি।

যেভাবে গঠন হবে মন্ত্রিসভা: মন্ত্রিসভা গঠন প্রসঙ্গে সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। যে সংসদ সদস্য, সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারণ করবেন, সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
১৫ জানুয়ারির মধ্যে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে গঠিত হয়ে যাবে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, গঠন করেন ৩২ সদস্যের মন্ত্রিসভা। এর ১৮ দিন পর মন্ত্রিসভায় আরও ছয় জন যোগ হন। এরও দুই বছর ১০ মাস পর আরও দুজনকে মন্ত্রী করা হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে মোট ১৪৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। বিএনপি ও এর নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচন বর্জন করে। ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় জয় পায় আওয়ামী লীগ ও এর শরিক দলগুলো। ওই বছরের ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। তখন অধিকাংশ পুরোনো মন্ত্রী বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত নতুন ও আগের সরকারের সময় দলের বাদ পড়া জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে সরকার গঠন করা হয়।

বিএনপি যে কারণে নির্বাচনকে ভয় পায়: নির্বাচনটাকে ‘ব্যতিক্রমী’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সাধারণত আমরা দলের প্রার্থী ঠিক করে দেই বা সব দল তাদের প্রার্থী নির্বাচন করে দেয়। এবার আমরা আমাদের প্রার্থী নির্বাচিত করেছি, পাশাপাশি এ নির্বাচনটা উš§ুক্ত করে দিয়েছি, যার ইচ্ছামত দাঁড়াতে পারবে। বিএনপির ভোট বর্জন নিয়ে তিনি বলেন, দলটি সামরিক স্বৈরশাসকের হাতে তৈরি। তারা নিজেরা চলতে পারে না, নিজেদের জনসমর্থন থাকে না। সেই জন্য নির্বাচনকে ভয় পায়। আমাদের দল হল জনগণের।নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন হয়ে গেছে, এখনো গেজেট হয়নি। তাই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। গেজেটের পর শপথ হবে, এরপর আমাদের সংসদীয় দলের বৈঠক করতে হবে। সেখানে সংসদীয় দলের নেতা কে হবে সেটা নির্বাচন করতে হবে। তখন সরকার গঠন করতে রাষ্ট্রপতির কাছে যেতে হবে। সরকার গঠন হবে। এটাই সংবিধানিক প্রক্রিয়া, তা অনুসারী করতে চাচ্ছি।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ০৯ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম পৃষ্ঠা

গেজেট-শপথ হতে পারে যেদিন: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ২৯৯ আসনের মধ্যে বেসরকারিভাবে ২৯৮ জন বিজয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে, অর্থাৎ সরকারিভাবে গেজেট করে ফলাফল ঘোষণা করার পালা। তারপর শপথগ্রহণ করবেন বিজয়ীরা।
যদিও এখন পর্যন্ত গেজেট, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ ঠিক কবে, তা জানায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যদিও সোমবার (০৮ জানুয়ারি) ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ গণমাধ্যমকে বলেন, সব অনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার রিটার্নিং কর্মকর্তারা সব ফলাফল আমাদের কাছে পাঠাবেন। কোনোটা বাকি থাকলে আগামীকাল (মঙ্গলবার) পাঠাবেন। তিনি বলেন, আমরা হয়তো আগামীকালের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা পাঠিয়ে দেব। ১০ জানুয়ারি হয়তো গেজেট হয়ে যাবে। গেজেট হলেই আপনারা জানতে পারবেন। তবে, কখন গেজেট হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
অতিরিক্ত সচিব যোগ করেন, আইন অনুযায়ী গেজেট হয়ে যাওয়ার ৭২ ঘণ্টা, অর্থাৎ তিন দিনের মধ্যেই শপথ নিতে হবে প্রার্থীদের। তার মানে, ১০ জানুয়ারি গেজেট হলে ১৩ জানুয়ারির মধ্যে শপথ নিতে হবে। তবে, ২৯ জানুয়ারির আগে সংসদ অধিবেশনে বসতে পারবে না। কারণ, একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ৩০ জানুয়ারি।

ইউডি/সিরাজ/এজেএস

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading