তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪, আপডেট ১৮:২৫
সুন্দরবনের নদী–খালে মাছ ও বনে প্রাণীদের বিচরণ ও প্রজনন কার্যক্রমের সুরক্ষায় শনিবার (১ জুন) থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত টানা তিন মাসের জন্য বন্ধ হচ্ছে সুন্দরবনের দুয়ার। এ সময় পর্যটক প্রবেশ, সাধারণ মানুষের চলাচলসহ সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। শুক্রবার (৩১ মে) পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই তিন মাস মাছের প্রজনন মৌসুম। তাই এই তিন মাস মাছ ধরা বন্ধের পাশাপাশি পর্যটক প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকবে সুন্দরবন প্রবেশের সকল পারমিট। ১ সেপ্টেম্বর থেকে আগের মতো আবার সুন্দরবনে জেলে ও পর্যটকদের জন্য পারমিট দেওয়া শুরু হবে।
সাধারণ জেলেরা জানান, সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকাসহ ২৫ ফুটের কম প্রশস্ত খালে সারা বছর মাছ ধরা নিষেধ থাকে। এসব নদী-খালে উপকূলীয় এলাকার হাজার পারমিটধারী জেলে মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সুন্দরবনসংলগ্ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ওপর মৎস্য আহরণ তিন মাস বন্ধ থাকলে জেলেদের জীবিকা নির্বাহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাস সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকত। ২০২২ সালে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এ নিষেধাজ্ঞা এক মাস বৃদ্ধি করে ১ জুন থেকে করা হয়েছে। সেই থেকে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস বনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হচ্ছে।
ইউডি/এজেএস

