কাপ্তাইয়ে হাটে উঠেছে পাহাড়ি গরু সরবরাহ কম থাকায় দাম চড়া

কাপ্তাইয়ে হাটে উঠেছে পাহাড়ি গরু সরবরাহ কম থাকায় দাম চড়া

উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪, আপডেট ১৪:৪৫

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার নতুন বাজার কোরবানির পশুর হাটে দেখা মিলেছে কিছু সংখ্যক পাহাড়ি গরুর। বাজার শুরুর প্রথমদিকে গরু এবং ক্রেতা শূণ্য থাকার চিত্র দেখা গেলেও বর্তমানে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।

কাপ্তাই নতুন বাজার পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, দুরদুরান্ত থেকে কিছু সংখ্যক পাহাড়ি গরু এসেছে বিক্রি করার জন্য।

তবে ক্রেতার সংখ্যা যেমন কম দেখা গেছে তেমনি গরুর দাম অনেক চড়া বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর হাটে গরুর সরবরাহ কম থাকায় গরুর দাম বেড়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন গরু বিক্রেতা জানান, প্রতিবছর কাপ্তাইয়ে কোরবানি ঈদে পাহাড়ি গরুর চাহিদা বেশি থাকে। পার্বত্যঞ্চলে বিভিন্ন দূর্গম এলাকা হতে কাপ্তাই নতুনবাজার হাটে পাহাড়ি গরু আসে। এতে চট্রগ্রামসহ রাঙ্গুনিয়া, রাউজন বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা আসেন পাহাড়ি গরু ক্রয় করার জন্য। তবে এবার গরু সরবরাহ কম থাকার ফলে দাম অনেকটা বেড়েছে বলে তারা জানান।

অপরদিকে বাজারে ক্রেতার পরিমাণ ও অনেক কম দেখা গেছে। তবে কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, পছন্দের শীর্ষে সবসময় পাহাড়ি গরুর কদর থাকাতে কাপ্তাই হাটে পাহাড়ি গরু কিনতে এসেছেন।
তারা আরও জানান,পাহাড়ি গরু সাধারনত প্রাকৃতিক সকল ধরনের লতা-পাতা খেয়ে পরিপুষ্ট হয়। তাই এসব গরু স্বাদে ও পুষ্টি গুণে ভরপুর। এছাড়া এসব গরু হিংস্র হয়না।

তাই সবাই পছন্দ করে এসব পাহাড়ি গরু। তবে এবছর গরুর দাম আকাশ ছোঁয়া বলে তারা অভিযোগ করেন। তারা অধিকাংশ জানান, গত বছর যেসব গরুর দাম আশি হাজার থেকে এক লক্ষ ছিল, সেসব গরুর এবার দেড় লাখের উপরে দাম চাওয়া হচ্ছে। তাই অনেক ক্রেতা হতাশ হয়ে গরু না নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

এদিকে কাপ্তাই গরুর হাটে ইজারাদার মনির আহমেদ জানান, প্রথমদিকে হাটে গরুর পরিমাণ কম থাকলেও এখন দিন দিন গরু আসছে। এতে করে কাপ্তাই কোরবানীর পশুর হাট জমজমাট হচ্ছে। আমরা আশা করছি, কোরবানীর দুই একদিন আগে হয়তো গরুর সরবরাহ বাড়বে এবং গরুম দামও কিছুটা কমবে। সেইসঙ্গে কাপ্তাই পশুর হাট আরও জমজমাট হবে।

ইউডি/এআর

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading